NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, মার্চ ১০, ২০২৬ | ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

‘ভারত-চীনের মতো আফ্রিকায় বাংলাদেশের উপস্থিতি বাড়াতে হবে‌’


খবর   প্রকাশিত:  ০৭ অক্টোবর, ২০২৪, ০৫:৪৩ পিএম

>
‘ভারত-চীনের মতো আফ্রিকায় বাংলাদেশের উপস্থিতি বাড়াতে হবে‌’

আফ্রিকায় ভারত ও চীনের ব্যাপক উপস্থিতি থাকলেও বাংলাদেশের সেই অর্থে উপস্থিতি নেই বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র-সচিব মাসুদ বিন মোমেন। বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশকে ভারত ও চীনের মতো আফ্রিকায় গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। 

রোববার (১৪ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) আয়োজিত ‘আফ্রিকায় নজর: বাংলাদেশের জন্য নতুন দিগন্ত অন্বেষণ’ শীর্ষক এক সেমিনার এসব কথা বলেন তিনি।

পররাষ্ট্রসচিব বলেন, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর অনেক সুযোগ রয়েছে। আফ্রিকায় ভারত ও চীনের উপস্থিতি ব্যাপক। আমাদের তেমন উপস্থিতি নেই। আমাদেরও সেই সুযোগ নিতে হবে। আফ্রিকায় আমাদের বাণিজ্য বাড়াতে হবে। অন্যান্য খাতেও সুযোগ অন্বেষণ করতে হবে।

মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ব্যবসায়ীদের কাছে শোনা যায়, তারা দুবাই, কানাডা, আবুধাবি, যুক্তরাষ্ট্রে যান। কিন্তু আফ্রিকায় যান না। আফ্রিকায় যে সম্ভাবনা আছে, সেটাকে বাস্তবায়ন করতে হলে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসতে হবে। তবে আফ্রিকায় গৃহযুদ্ধ ও জাতিগত সংঘাতও বিবেচনায় নিতে হবে।

এলডিসি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর আফ্রিকা বাংলাদেশের জন্য ভালো বাজার হতে পারে বলে সম্ভাবনার কথা জানান পররাষ্ট্রসচিব।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পররাষ্ট্রসচিব (পূর্ব) মাশফি বিনতে শামস। সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন বিআইআইএসএস চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিআইআইএসএসের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শেখ পাশা হাবিব উদ্দিন।

পররাষ্ট্রসচিব বলেন, আফ্রিকায় বর্তমানে বাংলাদেশের ১০টি মিশন রয়েছে। যে দেশগুলো বাংলাদেশের মিশন নেই, সেগুলোতে মিশন খোলার জন্য সরকার চেষ্টা করছে। সেখানে আমরা আরও নতুন মিশন খোলার চেষ্টা করছি। আফ্রিকার এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে আমরা আগে কাজ করেছি। এছাড়া ক্লাইমেট চেঞ্জ ঝুঁকি মোকাবিলায়ও সেখানের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কাজ করেছি। আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। আফ্রিকার খনিজ সম্পদ উত্তোলন ও শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশের পড়াশোনার সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে।