NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, মার্চ ১০, ২০২৬ | ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

'মধ্যম আয়ের' মর্যাদা ছাড়বে না শ্রীলঙ্কা, ঋণের অনুরোধ


খবর   প্রকাশিত:  ০৯ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৬:৫৯ এএম

'মধ্যম আয়ের' মর্যাদা ছাড়বে না শ্রীলঙ্কা, ঋণের অনুরোধ

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা ধরে রেখে বিশ্বব্যাংকের কাছে দরিদ্র দেশের মতো রেয়াতি বা সহজ শর্তের ঋণ সুবিধা চায় শ্রীলঙ্কা। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদের মুখপাত্রের দেওয়া আগের মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে আজ মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রপতির কার্যালয়।

এর আগের দিন মন্ত্রিপরিষদের মুখপাত্র বলেছিলেন যে সহজ অর্থায়নের জন্য সরকার তার অর্থনৈতিক অবস্থাকে 'নিম্ন আয়ের দেশে' পরিবর্তন করতে চাইবে। ২ কোটি ২০ লাখ জনসংখ্যার দ্বীপরাষ্ট্রটি বর্তমানে সাত দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে রয়েছে।

 

 

 

তবে অর্থনৈতিক অবস্থার মর্যাদা পরিবর্তন করা হবে না বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপতি রণিল বিক্রমাসিংহের কার্যালয়।

কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, 'শ্রীলঙ্কা মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে থাকবে। তবে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) থেকে ঋণ পাওয়ার জন্য আমাদের দেশকে মর্যাদা দিতে আমরা বিশ্বব্যাংককে অনুরোধ করব। '

আইডিএ হলো বিশ্বব্যাংকের একটি অঙ্গ-সংগঠন, যারা দরিদ্র দেশগুলোতে দারিদ্র্য নিরসনে শূন্য থেকে কম সুদে ঋণ এবং এবং অনুদান দেয়।

এ বিষয়ে কলম্বোতে অবস্থিত বিশ্বব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়ের তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তারা বলেছে, বিশ্বব্যাংক শ্রীলঙ্কার সাথে আলোচনা চালিয়ে যাবে এবং দেশটির অর্থনৈতিক সংস্কারে ঋণ পুনর্গঠনকে মূল অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

সরকারি তথ্যমতে, গত বছর শ্রীলঙ্কার অর্থনীতির মূল্য ছিল ৮৯ বিলিয়ন ডলার। অনুমান করা হচ্ছে যে এ বছরে জিডিপি সংকোচন ৮ দশমিক ৭ শতাংশ হবে। সেই সঙ্গে মুদ্রার অবমূল্যায়ন হিসাব করলে অর্থনীতি হ্রাস পেয়ে ৭৫ বিলিয়ন ডলারের হবে এবং মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে তিন হাজার ৪০০ মার্কিন ডলারে।


এদিকে ২০২১ সাল থেকে কোনো দেশের মাথাপিছু আয় এক হাজার ৮৫ মার্কিন ডলারের নিচে থাকলেই শুধুমাত্র নিম্ন আয়ের দেশ হিসেবে বিবেচনা করে বিশ্বব্যাংক।

গত মাসে ২৯০ কোটি ডলারের বেইলআউট ঋণ নিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাথে প্রাথমিক চুক্তি হয়েছে শ্রীলঙ্কার। তবে এ তহবিল বিতরণের আগে দেশটির ঋণ ব্যবস্থাপনাকে টেকসই করে তুলতে হবে।   

শ্রীলঙ্কার অর্থনীতির প্রধান খাত পর্যটন, কিন্তু কভিড-১৯ মহামারি দেশটির পর্যটন খাতে আঘাত হানায় অর্থনীতি ব্যপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ছাড়াও বিশ্বব্যপী জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি এবং রাসায়নিক সার আমদানিতে সাত মাসের নিষেধাজ্ঞা দেশটির কৃষি খাতকেও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।  

সূত্র : রয়টার্স।