NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬ | ১১ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতি ও সফট পাওয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও উত্তাল ফ্রান্স, বিক্ষোভে সংঘর্ষ ইরানে আজই হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষায় আইন চান কৃতি শ্যানন গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া সেই আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পসহ বিদেশি নেতাদের বক্তব্য ‘অগ্রহণযোগ্য’: ম্যাখোঁ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কেন বিতর্কে মেটা ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মেতেছেন শাওন দ্বিতীয় মেয়ের নাম প্রকাশ করলেন দীপিকা-রণবীর তিন বিভাগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

যুদ্ধাপরাধ : যশোরের বাঘারপাড়ার ৪ জনের রায় যেকোনো দিন


খবর   প্রকাশিত:  ১১ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৫:০৮ এএম

যুদ্ধাপরাধ : যশোরের বাঘারপাড়ার ৪ জনের রায় যেকোনো দিন

ঢাকা: যশোরের বাঘারপাড়ার মো. আমজাদ হোসেন মোল্লাসহ চার আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় যেকোনো দিন। এ মামলায় উভয় পক্ষের চূড়ান্ত শুনানির পর আজ বৃহস্পতিবার চেয়ারম্যান মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন।

প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলীর তত্ত্বাবধানে রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলায় শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন। আসামিপক্ষে ছিলেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম ও আব্দুস সাত্তার পালোয়ান। আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম একই সঙ্গে আমজাদ মোল্লারও আইনজীবী।

প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন বলেন, 'চূড়ান্ত যুক্তিতর্কের পর মামলাটির রায় অপেক্ষমাণ রেখে আদেশ দেওয়া হয়েছে। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চাওয়া হয়েছে। যেকোনো দিন রায়ের তারিখ ঘোষণা করবেন ট্রাইব্যুনাল।'

২০১৬ সালের ৪ এপ্রিল এ মামলার তদন্ত শুরু হয়। শেষ হয় ২০১৮ সালের ১৬ এপ্রিল। ওই দিনই পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দেয় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। আসামিরা হলেন মো. আমজাদ হোসেন মোল্লা, মো. ওহাব মোল্লা, মো. মাহতাব বিশ্বাস, মো. ফসিয়ার রহমান মোল্লা ও মো. নওশের বিশ্বাস। আসামিদের মধ্যে অন্য মামলায় গ্রেপ্তার আমজাদ হোসেন মোল্লাকে ২০১৭ সালের ২২ মে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বিচার চলাকালে পলাতক অবস্থায় আসামি নওশের বিশ্বাস মারা গেলে তাকে মামলার অভিযোগ থেকে বাদ দেওয়া হয়।

২০১৯ সালের ২৯ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় অপহরণ, আটক, নির্যাতন, হত্যার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের চারটি অভিযোগ গঠন করা হয়। আমজাদ মোল্লা যশোরের বাঘারপাড়া থানার রাজাকার কমান্ডার ছিলেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৭১ সালে মুসলিম লীগের রাজনীতি করলেও স্বাধীনতার পর ভোল পাল্টে আমজাদ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। 

যশোরের বাঘারপাড়া থানার উত্তর চাঁদপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তাকারী মো. ময়েনউদ্দিন ওরফে ময়না এবং মো. আয়েনউদ্দিন ওরফে আয়েনকে অপহরণ করে হত্যা, একই গ্রামের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের ও আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা দেওয়া চিকিৎসক নওফেল উদ্দিন বিশ্বাসকে হত্যা, গাইদঘাট গ্রামের সুরত আলী বিশ্বাস ও মোক্তার বিশ্বাসকে অপহরণ করে হত্যা এবং মাগুরা জেলার শালিখা থানার সীমাখালীর চিত্রা নদীর খেয়াঘাটের মাঝি রজব আলী বিশ্বাসকে আটক করে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে।