NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ | ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ প্রথম ভাঁজ করা আইফোন উন্মোচনে অ্যাপলকে স্যামসাংয়ের খোঁচা শৈশব থেকে হৃদরোগের সঙ্গে লড়াই, না ফেরার দেশে মিস অস্ট্রিয়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর রহমান গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম : রাষ্ট্রপতি ইসরায়েলি বসতিতে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র? কানাডার মদসহ বিভিন্ন পণ্যে ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর
Logo
logo

‘জিয়ার নির্দেশে’ কর্নেল নাজমুল হুদাকে হত্যা, ৪৮ বছর পর মামলা


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ০৩:২৯ এএম

‘জিয়ার নির্দেশে’ কর্নেল নাজমুল হুদাকে হত্যা, ৪৮ বছর পর মামলা

ঢাকা: ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা বীরবিক্রমকে হত্যার ৪৮ বছর পর মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় ১০ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের মেজর (অব.) আব্দুল জলিলকে আসামি করা হয়েছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নির্দেশে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার রাতে রাজধানীর শেরেবাংলানগর থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন নিহতের কন্যা সংসদ সদস্য নাহিদ ইজহার খান। থানার ওসি উৎপল বড়ুয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় বাদী উল্লেখ করেছেন, পঁচাত্তরের ৭ নভেম্বর তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের নির্দেশে মেজর জলিল সংসদ ভবন এলাকায় বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে তাঁর বাবা কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা বীরবিক্রমকে হত্যা করেছেন।

খন্দকার নাজমুল হুদা ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে ৮ নম্বর সেক্টরের সাব-সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় ২৭ নম্বর আসামি ছিলেন তিনি।

১৯৭৪ সালে কুমিল্লায় বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির প্রথম কমান্ড্যান্ট খন্দকার নাজমুল হুদা ৪৪ ও ৭২ ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডার ছিলেন।

নাজমুল হুদা দেশ স্বাধীনের পর প্রথমে যশোর ক্যান্টনমেন্ট, এরপর ঢাকা ও পরে কুমিল্লায় দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তিনি রংপুর সেনানিবাসে দায়িত্বরত ছিলেন। সেখানে থাকার সময়ই তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার খবর পান। রেডিওতে খবর পেয়েই তিনি খালেদ মোশাররফ ও তৎকালীন সেনাপ্রধান সফিউল্লার সঙ্গে কথা বলেন বলে তাঁর স্ত্রী নীলুফার হুদার বরাতে এই তথ্য জানা যায়।