NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের
Logo
logo

মিরাকল ঘটাতে পারেনি লিভারপুর, কোয়ার্টারে রিয়াল


খবর   প্রকাশিত:  ০২ অক্টোবর, ২০২৪, ০৩:৫৪ এএম

>
মিরাকল ঘটাতে পারেনি লিভারপুর, কোয়ার্টারে রিয়াল

অ্যানফিল্ডে প্রথম লেগে দুই গোলে এগিয়ে গিয়েও রিয়ালের কাছে ৫–২ ব্যবধানে উড়ে গিয়েছিল লিভারপুল। অলরেডদের কপালে লাল বাতিও বলতে গেলে তখনই জ্বলে উঠেছিল। যদিও সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে অলৌকিক কিছুর আশা করেছিলেন ইয়ুর্গেন ক্লপ । বাস্তবে তার ছিঁটেফোঁটাও দেখা গেল না। বরং রিয়ালের ডেরা থেকেও হার সঙ্গী করে খালি হাতেই ফিরতে হল তাদের। দুই লেগ মিলিয়ে ৬–২ অগ্রগামিতায় প্রত্যাশিতভাবেই কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট কেটেছে কার্লো আনচেলত্তির দল।

বার্নাব্যুতে আজ শুরু থেকেই নির্ভার ছিল রিয়াল। ঘরের মাঠ আর চেনা দর্শকের সঙ্গে প্রথম লেগের বড় লিড সবমিলিয়ে আনচেলত্তির দলের ওপর একেবারেই চাপ ছিল না। মিরাকল বা অলৌকিকতা যা–ই বলুন, জন্ম দিতে হতো লিভারপুলকে। মোহাম্মদ সালাহ, দারউইন নুনিয়েজ, ভার্জিল ফন ডাইকদের শারীরিক ভাষা দেখেও আন্দাজ করা যাচ্ছিল, ম্যাচটা দ্রুত শেষ হলেই যেন বাঁচেন তারা। রেফারি শেষ বাঁশি বাজিয়ে লিভারপুলকে যেন মুক্তি দিলেন!

ম্যাচে ৫৪ শতাংশ সময় বল দখলে রাখা রিয়াল গোলের জন্য ১৭টি শট নেয়, এর ৮টি ছিল লক্ষ্যে। মৌসুমের শুরু থেকেই উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যাওয়া লিভারপুলের ৯ শটের ৫টি ছিল লক্ষ্যে।

যদিও ম্যাচে বলার মতো প্রথম সুযোগ তৈরি করেছিল অলরেডরাই। এতে বড় দায় ছিল আন্তোনিও রুডিগারের। শুরুতে বলের ফ্লাইট মিস করেন রিয়ালের এই জার্মান ডিফেন্ডার। পরে বলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। তাকে এড়িয়ে সালাহ খুঁজে নেন নুনিয়েজকে। তবে থিবো কোর্তোয়া বরাবর শট নিয়ে হতাশ করেন উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার। ১১ মিনিটে টনি ক্রুসের দূরপাল্লার শট ঠিকঠাক গ্লাভসবন্দী করেন আলিসন বেকার। লক্ষ্যে এটাই রিয়ালের প্রথম শট।

৯ মিনিট পর গোল প্রায় পেয়েই যাচ্ছিল রিয়াল। ডি বক্সের বাইরে থেকে এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গার বুলেট গতির শটে কোনোমতে হাত ছোঁয়াতে পারেন আলিসন। কাজ হয় তাতেই, বল লাগে ক্রসবারে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই রিয়ালের মুহুর্মুহু আক্রমণ ঠেকিয়ে লিভারপুলের ক্ষীণ আশাটুকু বাঁচিয়ে রাখেন আলিসনই। তবে প্রতি আক্রমণে সুযোগ নষ্ট করেন সালাহ। স্বাভাবিক খেলা খেলতে না পারায় একবার তো নাচোর সঙ্গে প্রায় লেগেই গিয়েছিল মিশরীয় তারকার। রেফারি এসে না থামালে হয়তো আরও বাজে পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো।

লিভারপুলের রক্ষণে প্রবল চাপ তৈরি করা রিয়াল এগিয়ে যায় ৭৮ মিনিটে। মাঝমাঠ থেকে কামাভিঙ্গার বাড়ানো বল ফন ডাইকের চ্যালেঞ্জের মুখে নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি বেনজেমা। ছুটে গিয়ে বলে পা ছোঁয়াতে পারেননি ভিনিসিয়ুস। মনে হচ্ছিল নষ্ট হচ্ছে আরেকটি সুযোগ। কিন্তু ভারসাম্য হারিয়ে বক্সে পড়ে গেলেও ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার পাস বাড়ান বেনজেমাকে। ফরাসি ফরোয়ার্ড অনায়াসেই সারেন বাকি কাজটুকু। 

লিভারপুলের জন্য ম্যাচটা আরেকটি দুঃখগাথা হয়ে গেলেও রিয়ালের জন্য মাইলফলক ছোঁয়ার রাতে জয়ে রাঙানোর। চ্যাম্পিয়নস লিগ ইতিহাসের সফলতম দলটির এটি যে ৩০০তম ম্যাচ।