NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ | ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ট্যাংকার যুদ্ধ: হরমুজ প্রণালি ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা ইউরোপের বাকি দেশগুলোতেও ক্ষমতায় যাচ্ছে কট্টর ডানপন্থীরা? ইতালিতে বাঁধনকে ‘হেনস্তা’, কী বলছেন অভিনেত্রী বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউক্রেনে পৌঁছেছেন ট্রাম্পের দূতরা জার্মানির রাজ্য নির্বাচনে রেকর্ড ভোট পেয়েও সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তায় এএফডি গোলকিপার কোমানের জোড়া গোল, ডাচ লিগে ইতিহাস
Logo
logo

ভাষা ও সংস্কৃতি ধ্বংসের চেষ্টা করেছিল পাকিস্তানিরা : প্রধানমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ০৭ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৬:৪৫ পিএম

ভাষা ও সংস্কৃতি ধ্বংসের চেষ্টা করেছিল পাকিস্তানিরা : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভাষা ও সংস্কৃতি ধ্বংসের চেষ্টা করেছিল পাকিস্তানিরা। বারবার বাংলা ভাষার ওপর আঘাত আসে। 

ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদান না থাকলে পাকিস্তান সরকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জেলে বন্দী করেছিল কেন এমন প্রশ্ন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭৫-এর পর বঙ্গবন্ধুকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে।

সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘একুশে পদক-২০২৩’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

 

ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ভাষা আন্দোলনে তার (বঙ্গবন্ধু) যে অবদান সেই অবদান টুকু কিন্তু মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল। অনেক বিজ্ঞ জন, আমি নাম বলতে চাই না, চিনি তো সবাইকে, অনেকে বলেছে উনার আবার কী অবদান ছিল উনি তো জেলেই ছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু জেলে ছিলেন বলে উনার কোনো অবদান নেই তো উনি জেলে ছিলেন কেন এই ভাষা আন্দোলন করতে যেয়েই তো তিনি কারাগারে (বন্দী হয়েছেন)।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের ভাষা মাতৃভাষার অধিকার আদায়ের আন্দোলন সূচনা করেছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তারই উদ্যোগে ভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় এবং আমাদের ভাষার জন্য আন্দোলন শুরু হয় ১৯৪৮ সাল থেকে। আর ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে আমাদের স্বাধীনতা অর্জন।

বঙ্গবন্ধুকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার একটা প্রবণতা সব সময় ছিল মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫-এ জাতির পিতাকে হত্যার পর দেখা গেল আমাদের সেই মহান মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান, যে স্লোগান দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে। সেই জয়বাংলা স্লোগান নিষিদ্ধ। ৭ই মার্চের ভাষণ, যে ভাষণে গেরিলা যুদ্ধের সমস্ত নির্দেশনা এবং সে ঐতিহাসিক কথা এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম; রেডিওতে প্রতিদিন এই বার্তাটা পৌঁছানো হতো। এই ভাষণের কারণে মুক্তিযোদ্ধারা যার যার যা কিছু ছিল তাই নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন; সেই ভাষণটাও নিষিদ্ধ। আসলে বঙ্গবন্ধুর নামই তো মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল।

ভাষা-সাহিত্য, সংস্কৃতির বিকাশে আওয়ামী লীগ সরকারের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার আসার পর থেকেই আমরা চেষ্টা করেছি আমাদের ভাষা সাহিত্য সংস্কৃতি যেন সুন্দরভাবে বিকশিত হয়।

তিনি বলেন, আমরা বাঙালি হিসেবেই মাথা উঁচু করে বিশ্ব দরবারে চলবো। আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি এই দেশকে আমরা আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব উন্নয়নের পথে।

ভাষা আন্দোলনে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের মাতৃভাষা দিবস, শুধু আমাদের না এটা এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। একুশে ফেব্রুয়ারি রক্ত দিয়ে রক্তের অক্ষরে একুশের শহীদরা লিখে দিয়ে গেছেন মাকে মা বলে ডাকতে চাই।

এ বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও দুই প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক-২০২৩ দিয়েছে সরকার। গুণীজনদের হাতে একুশে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।