NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬ | ১০ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতি ও সফট পাওয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও উত্তাল ফ্রান্স, বিক্ষোভে সংঘর্ষ ইরানে আজই হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষায় আইন চান কৃতি শ্যানন গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া সেই আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পসহ বিদেশি নেতাদের বক্তব্য ‘অগ্রহণযোগ্য’: ম্যাখোঁ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কেন বিতর্কে মেটা ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মেতেছেন শাওন দ্বিতীয় মেয়ের নাম প্রকাশ করলেন দীপিকা-রণবীর তিন বিভাগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

বাংলাদেশ নিয়ে মার্কিন-রুশ বাগযুদ্ধ, নেপথ্যে নিষিদ্ধ জাহাজ!


খবর   প্রকাশিত:  ১০ জানুয়ারী, ২০২৪, ১১:০৪ এএম

বাংলাদেশ নিয়ে মার্কিন-রুশ বাগযুদ্ধ, নেপথ্যে নিষিদ্ধ জাহাজ!

ঢাকা: বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা নিয়ে গত সপ্তাহে প্রকাশ্য বাগযুদ্ধ চলছিল যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে। ঠিক সে সময় আড়ালে তৎপরতা চলছিল নিষিদ্ধ একটি রুশ জাহাজ বাংলাদেশে ভিড়তে দেওয়া না দেওয়া নিয়ে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, উরসা মেজর নামে রাশিয়ার পতাকাবাহী জাহাজটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালামাল নিয়ে গত ১৪ নভেম্বর রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ বন্দর ছেড়ে আসে। গত ২৪ ডিসেম্বর জাহাজটির বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা ছিল।

 

 

কিন্তু ওই জাহাজ বাংলাদেশে আসার আগেই যুক্তরাষ্ট্র ঢাকাকে জানায়, উরসা মেজর নামে জাহাজটি আসলে স্পার্টা থ্রি নামে রাশিয়ার মালিকানাধীন একটি জাহাজ। এর ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া আছে। এই জাহাজটিকেই নাম বদলে নতুন নাম উরসা মেজর হিসেবে নিবন্ধন দেওয়া আছে। নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন জাহাজকে বাংলাদেশে ভিড়তে দিলে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।



অন্য দিকে রাশিয়ার চাপ ছিল জাহাজটিকে ভিড়তে দেওয়ার। বিষয়টি বাংলাদেশের উচ্চ পর্যায় পর্যন্ত গড়ায়। গত ২২ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে রাশিয়ার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে জানিয়ে দেওয়া হয়, নীতি অনুযায়ী বাংলাদেশ কোনো নিষিদ্ধ জাহাজ ভিড়তে দেবে না। সেদিন ঢাকায় রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে এ কথা জানিয়ে দেয় সরকার।

বাংলাদেশ বলেছে অতীতে যে সব জাহাজে করে রাশিয়া রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল পাঠিয়েছে আগামীতেও সেভাবে পাঠাতে পারে। কিন্তু নিষিদ্ধ কোনো জাহাজে করে নয়।

এর আগে গত সপ্তাহের শুরুর দিকে ঢাকায় রুশ দূতাবাস অভিযোগ করেছিল, গণতন্ত্র, মানবাধিকারসহ বিভিন্ন অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ বা কোথাও হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করছে। রাশিয়ার নীতি হলো কখনও অন্য দেশে হস্তক্ষেপ না করা। এরপর ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাশিয়াকে খোঁচা দিয়ে বলেছিল, রাশিয়ার ওই নীতি কি ইউক্রেনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?

২২ ডিসেম্বর মস্কোতে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রও ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতসহ পশ্চিমা কিছু দেশের কূটনীতিকদের তৎপরতা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বলে মন্তব্য করে। রুশ মুখপাত্র ঢাকায় জার্মান দূতাবাসেরও নাম নিয়েছেন। ২৫ ডিসেম্বর ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূত আখিম ত্রোস্তার এক টুইট বার্তায় বলেন, বড় দিনের উৎসবেও ইউক্রেনে রাশিয়ার বোমাবর্ষণ ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ।