NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬ | ১০ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতি ও সফট পাওয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও উত্তাল ফ্রান্স, বিক্ষোভে সংঘর্ষ ইরানে আজই হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষায় আইন চান কৃতি শ্যানন গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া সেই আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পসহ বিদেশি নেতাদের বক্তব্য ‘অগ্রহণযোগ্য’: ম্যাখোঁ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কেন বিতর্কে মেটা ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মেতেছেন শাওন দ্বিতীয় মেয়ের নাম প্রকাশ করলেন দীপিকা-রণবীর তিন বিভাগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১০৮


খবর   প্রকাশিত:  ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩, ১২:২০ পিএম

ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১০৮

ঢাকা: ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরো ১০৮ জন। গত সোমবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

নতুন রোগীদের ৬৭ জন ঢাকার বাসিন্দা।

 

অন্যান্য বিভাগের ৪১ জন। ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি ১৭ জন রোগী পাওয়া গেছে চট্টগ্রাম জেলায়। এ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে ভর্তি রোগী ৫৮০ জন।

 

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মোট ভর্তি রোগী ৬১ হাজার ৬২৯ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ২৭২ জনের।

বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে কীটতত্ত্ববিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, বৃষ্টিপাত না হওয়ায় দেশে এডিস মশার প্রজনন কমে এসেছে। এতে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও কমতে শুরু করেছে। এই ধারা আরো কয়েক মাস অব্যাহত থাকবে। এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি আবার এডিস মশা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা শূন্য হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি ডিসেম্বরে আক্রান্ত হয়েছে চার হাজার ২৭১ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। এর আগের নভেম্বর মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় ১৯ হাজার ৩৩৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ১১৩ জনের। এটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গুতে মৃত্যুর একক মাস।

এর আগে ২০১৯ সালে দেশে সর্বোচ্চ এক লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়। সে বছর মৃত্যু হয় ১৬৪ জনের। ২০২০ সালে আক্রান্ত হয় এক হাজার ৪০৫ জন, মৃত্যু হয় সাতজনের। আর ২০২১ সালে আক্রান্ত হয় ২৮ হাজার ৪২৯ জন এবং মৃত্যু হয় ৭৫ জনের।