NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ৯, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো বন্ধু : স্পিকার


খবর   প্রকাশিত:  ০৯ অক্টোবর, ২০২৪, ০২:২৯ এএম

ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো বন্ধু : স্পিকার

ঢাকা: আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুসংহত করার আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের তৎকালীন সরকারপ্রধান শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীর কূটনৈতিক প্রজ্ঞা ও আদর্শিক নেতৃত্বই দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভিত স্থাপন করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ সম্পর্ক আরো প্রতিষ্ঠিত ও সুসংহত হয়েছে।

আজ রবিবার স্পিকারের সংসদ ভবনস্থ কার্যালয়ে ভারতের আসাম আইনসভার স্পিকার বিশ্বজিৎ দাইমারির নেতৃত্বে সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

 

 

এ সময় ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ আতিউর রহমান আতিক ও হুইপ ইকবালুর রহিম এবং সংসদ সচিবালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বাংলাদেশ-ভারত সুদীর্ঘ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বিনিয়োগ, দুই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

আসাম সংসদীয় প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে স্পিকার বলেন, 'বৈশ্বিক সংকটময় রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ও ভারত শুধু ভৌগোলিক সীমান্তেই আবদ্ধ নয়, পঞ্চাশ বছর ধরে দুই দেশের শিল্প-সাহিত্য, যোগাযোগব্যবস্থাসহ নানা ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা লক্ষণীয়। ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো বন্ধু। '

তিনি আরো বলেন, 'মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে অকুণ্ঠ সমর্থন দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের নিরীহ মানুষের ওপর পাকিস্তানের বর্বর গণহত্যার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার পাশাপাশি, প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় ও সার্বিক সহযোগিতা দেয় ভারত। মুজিব শতবর্ষের অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে জোরদার করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি, ভারতের সঙ্গে স্থলসীমানা চুক্তি ইত্যাদি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। '

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণে নিরলস কাজ করছেন উল্লেখ করে স্পিকার শিরীন শারমিন বলেন, 'পদ্মা সেতু বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বঙ্গবন্ধু টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ইত্যাদি নির্মাণকাজ চলমান। কভিডের বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও সরকারের যুগোপযোগী পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশে খাদ্যসংকট হয়নি। '

দুই দেশের সুদীর্ঘ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে আসাম বিধানসভার স্পিকার বিশ্বজিৎ দাইমারি বলেন, 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন ভারতের অকৃত্রিম বন্ধু এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার মূর্ত প্রতীক। বাংলাদেশের চলমান অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়ন সত্যি অনুকরণীয়। বাংলাদেশের সংসদে উল্লেখযোগ্য নারী সংসদ সদস্যের অংশগ্রহণ প্রশংসনীয়। '

এ সময় বাংলাদেশ ভ্রমণের মাধ্যমে অর্জিত অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে সংসদীয় প্রতিনিধিদলের জন্য সহায়ক বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বিশ্বজিৎ দাইমারি স্পিকারকে আসাম বিধানসভা পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানালে ড. শিরীন শারমিন তা সাদরে গ্রহণ করে ভবিষ্যতে সুবিধাজনক সময়ে পরিদর্শনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এর আগে আসাম সংসদীয় প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ পরিদর্শন করে। সাক্ষাৎ শেষে প্রতিনিধিদল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করে।