NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মার্চ ৮, ২০২৬ | ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী ‘ইরানি হামলার’ জেরে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লিগ ট্রাম্পের হুমকির পরপরই পাল্টা সতর্কবার্তা দিল ইরান ‘রোনালদোর চোট ধারণার চেয়েও গুরুতর’ তৃষার সঙ্গে ম্যাচিং পোশাকে বিয়েবাড়িতে বিজয়, ফের আদালতে স্ত্রী রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
Logo
logo

শিশুর হাতে বন্দুক, খেলার ছলে ভাইয়ের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রে


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:১৫ পিএম

শিশুর হাতে বন্দুক, খেলার ছলে ভাইয়ের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রে

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দুর্ঘটনাক্রমে একটি ১৩ বছর বয়সী ছেলের গুলিতে তার ১১ বছর বয়সী ভাই মারা গেছে। গত সপ্তাহে তার বাবা-মার শোয়ার ঘর থেকে খুঁজে পাওয়া একটি বন্দুক নাড়াচাড়া করার সময় এ ঘটনা ঘটে।

মিয়ামি-ডেড কাউন্টির পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে শেমারিয়ন বার্স মারা গেছে। বিমানে করে হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

 

 

জানা গেছে, ঘটনার সময় শেমারিয়ন তার চার ভাই-বোনের সঙ্গে বাড়িতে ছিল। ভাই-বোনদের বয়স ৯ থেকে ১৫ বছর। সে যখন গুলিবিদ্ধ হয় তখন বাড়িতে প্রাপ্তবয়স্ক কেউ ছিল না। ১৩ বছর বয়সী ভাই বাড়ির মূল শোয়ার ঘরের আলমারিতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্রের বাক্স থেকে একটি বন্দুক সরিয়ে তা নাড়াচাড়া করছিল। তখনই এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বাড়ির শিশুরা সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে শুরু করলে তা শুনে একজন প্রতিবেশী ছুটে আসেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি ৯১১-এ (জরুরি পরিষেবা) ফোন করেছি। আমি বাড়ির ভেতরে গিয়েছিলাম, শিশুটি যেখানে ছিল সেখানে সর্বত্র রক্ত ছিল। ’ ছেলেটির শ্বাস বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তিনি তার মুখে সিপিআর প্রক্রিয়ায় শ্বাস-প্রশ্বাস চালু রাখার চেষ্টা করেছেন বলে জানান।

প্রতিবেশী বলেছেন, ‘দেয়ালে রক্ত ছিল। সে সেখানে শুয়ে ছিল এবং শেষনিঃশ্বাস নিচ্ছিল। এটি খুব কষ্টদায়ক ঘটনা। আমি খুব উদ্বিগ্ন ছিলাম, হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু আমি তাকে সত্যিই সাহায্য করার চেষ্টা করেছি। কারণ আমার কাছে একটি গোপন অস্ত্র আছে, আমার বাচ্চা আছে, তাই আমি আতঙ্কিত ও ভীত ছিলাম। আমি সেই মুহূর্তের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলাম। আমি শুধু তাকে আমার পরিবারের সদস্য ভেবে এসব করেছি। ’

মিয়ামি-ডেড কাউন্টি পুলিশের গোয়েন্দা আলভারো জাবালেটা বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেছেন, শেমারিয়নের মা মিয়ামি-ডেড কাউন্টির একজন সংশোধন কর্মকর্তা। তবে বন্দুকটির মালিক কে তা উল্লেখ করেনি পুলিশ। এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ দায়ের করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে না।

এদিকে শেমারিয়নের মা টিফানি ক্যালাওয়ে তার ছেলের শেষকৃত্যের খরচের জন্য অনলাইনে তহবিলের আহ্বান জানিয়েছেন। রবিবার সকাল পর্যন্ত তহবিলে প্রায় ১৭ হাজার মার্কিন ডলার জমা পড়েছে।

তহবিল সংগ্রহের আহ্বানে ক্যালাওয়ে লিখেছেন, ‘তাকে ছাড়া জীবন কল্পনা করা এমন কিছু যা আমরা কখনোই ভাবিনি যে পরিবার হিসেবে আমাদের করতে হবে। এর চেয়েও আরো খারাপ ব্যাপার, তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করতে হবে। আমরা এ ঘটনার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। আমরা কেবল একটি সদয় হাত চাইছি। ছোট বা বড় যেকোনো দান তার শেষকৃত্য যথাযথভাবে করার ব্যাপারে সাহায্য করবে। ’ সূত্র : ফক্স নিউজ