NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুলাই ৮, ২০২৬ | ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি ‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী? জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দলের নয়, শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

ধোঁয়া উড়িয়ে চলে যায় সিটি কর্পোরেশন, কমে না মশা


খবর   প্রকাশিত:  ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৭:১৪ এএম

>
ধোঁয়া উড়িয়ে চলে যায় সিটি কর্পোরেশন, কমে না মশা

‘প্রতিদিনই খবরে শুনি ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সিটি কর্পোরেশনের অভিযান। কোথায় এ অভিযান? মশকনিধন কর্মীদের দেখাই তো মেলে না। বর্তমান অবস্থা এমন হয়েছে যে প্রতি ঘরে ঘরে ডেঙ্গু রোগী। তাহলে সিটি কর্পোরেশনের মশকনিধন কার্যক্রম কি শুধু লোক দেখানো’— এমন প্রশ্ন রেখেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অধীন যাত্রাবাড়ী এলাকার বাসিন্দা ফরহাদ হোসেন।

শুধু ফরহাদ হোসেন নন, এমন অভিযোগ ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের অধীন বেশির ভাগ বাসিন্দার। তারা বলছেন, সিটি কর্পোরেশনের কোনো মশকনিধন কর্মীকে নিয়মিত দেখা যায় না। ফলে প্রতিটি এলাকায় যেমন মশা বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা।

প্রতিদিন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ অবস্থায় বিগত বছরগুলোর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নানা পদক্ষেপ নিয়ে মাঠে নামলেও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সিটি করপোরেশনের অভিযান
আমাদের আশপাশের সব এলাকায় বলতে গেলে ঘরে ঘরে ডেঙ্গু রোগী। কিন্তু সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে আমরা কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখছি না। ডেঙ্গু ছাড়াও মশার উৎপাত রয়েছে দিন-রাত সবসময়। বাসায় ছোট বাচ্চা আছে। যে কারণে দিনের বেলাতেও মশারি টাঙিয়ে থাকতে হয়
বাচ্চু মিয়া, ৬২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৬২ নম্বর ওয়ার্ডের অধীন দক্ষিণ কাজলার বাসিন্দা বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘আমাদের আশপাশের সব এলাকায় বলতে গেলে ঘরে ঘরে ডেঙ্গু রোগী। কিন্তু সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে আমরা কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখছি না। ডেঙ্গু ছাড়াও মশার উৎপাত রয়েছে দিন-রাত সবসময়। বাসায় ছোট বাচ্চা আছে। যে কারণে দিনের বেলাতেও মশারি টাঙিয়ে থাকতে হয়।’

‘নানা জায়গায় আবর্জনা উন্মুক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। সেগুলোতে পানি জমছে আর সেই পানিতে মশা জন্ম নিচ্ছে। কিন্তু মশকনিধনে সিটি কর্পোরেশনের নিয়মিত কোনো কার্যক্রম আমাদের চোখে পড়ছে না। মাঝে এক বা দুইদিন অভিযানের নামে তারা আসে। ঘুরে ঘুরে জরিমানা করে চলে যায়। এরপর আর তাদের খোঁজ থাকে না।’
আমাদের এলাকার বাসিন্দারা বলতে পারবেন না যে কবে তারা মশকনিধন কর্মীদের কাজ করতে দেখেছেন। মাঝে মাঝে দুই-একদিন দেখা যায়। তারা এসে শুধু ধোঁয়া উড়িয়ে চলে যান। সিটি কর্পোরেশন যেসব অভিযানের কথা বলে, সেগুলো শুধুই লোক দেখানো। কাজের কাজ কিছুই হয় না। তারা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ
হাফিজুল ইসলাম, শেওড়াপাড়ার বাসিন্দা

শেওড়াপাড়ার বাসিন্দা হাফিজুল ইসলাম ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, বর্তমানে ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে। ঘরে ঘরে ডেঙ্গু রোগী। সিটি কর্পোরেশন মশক নিধনের নামে কী করে, তা আমরা বুঝতে পারি না। তাদের অভিযান শুধু মিডিয়াতে দেখা যায়।

সিটি করপোরেশনের অভিযান

 

‘আমাদের এলাকার বাসিন্দারা বলতে পারবেন না যে কবে তারা মশকনিধন কর্মীদের কাজ করতে দেখেছেন। মাঝে মাঝে দুই-একদিন দেখা যায়। তারা এসে শুধু ধোঁয়া উড়িয়ে চলে যান। সিটি কর্পোরেশন যেসব অভিযানের কথা বলে, সেগুলো শুধুই লোক দেখানো। কাজের কাজ কিছুই হয় না। তারা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ।’