NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ১৮, ২০২৬ | ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে সমালোচকদের জবাব দিলেন লিওনেল মেসি বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে প্রথমবার ফাইনালে হাফটাইম শো দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে গেছে : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ৫ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতের বৈঠক ২০২০ নির্বাচনে চীনের হস্তক্ষেপের দাবি ট্রাম্পের, অভিযোগ অস্বীকার করল বেইজিং বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটে আগুন, সর্বনিম্ন কত? সন্তানদের মিস করে আবেগঘন পোস্ট ‘সেলিনা জেটলি’র জুলাই শহীদ দিবস আজ সেমিফাইনালে গোল না করেও গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এমবাপেকে ছাড়ালেন মেসি যৌন নিপীড়ন মামলায় ৫ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিলেন ট্রাম্প
Logo
logo

বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে প্রথমবার ফাইনালে হাফটাইম শো


Shibbir Ahmed   প্রকাশিত:  ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৭ এএম

বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে প্রথমবার ফাইনালে হাফটাইম শো

ক্রীড়া ডেস্ক: বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথমবারের মতো ফাইনাল ম্যাচে আয়োজন করা হচ্ছে বর্ণাঢ্য হাফটাইম শো। ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে এই বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে ফুটবল ও সংগীতের এক অনন্য সমন্বয় দেখতে পাবেন বিশ্বের কোটি কোটি দর্শক।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফাইনালে বিরতির সময় বিশ্বখ্যাত শিল্পীদের পরিবেশনায় থাকবে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ আয়োজনের শিল্প নির্দেশনায় রয়েছেন ব্রিটিশ ব্যান্ড কোল্ডপ্লের প্রধান কণ্ঠশিল্পী ক্রিস মার্টিন। অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনের জনপ্রিয় শিল্পী ম্যাডোনা, শাকিরা, জাস্টিন বিবার এবং দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড বিটিএস। এছাড়া অংশ নেবেন বার্না বয়, গুস্তাভো দুদামেল এবং পিএস২২ কোরাস।

ফিফা জানিয়েছে, বিশ্বকাপ ফাইনালকে আরও আকর্ষণীয় ও বৈশ্বিক বিনোদনের পরিসরে নিয়ে যেতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যেও এই আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে এই হাফটাইম শোর কারণে ফাইনাল ম্যাচের বিরতির সময় প্রচলিত ১৫ মিনিটের তুলনায় কিছুটা বেশি হতে পারে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, মঞ্চ প্রস্তুতি, পরিবেশনা এবং তা অপসারণের জন্য অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হবে।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই নতুন সংযোজন নিয়ে ইতোমধ্যে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। অনেকেই এটিকে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে বিনোদনের নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ দীর্ঘ বিরতির কারণে ম্যাচের ছন্দ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন। ফিফা আশা করছে, এই ব্যতিক্রমী আয়োজন বিশ্বকাপ ফাইনালকে কেবল একটি ফুটবল ম্যাচ নয়, বরং বিশ্বব্যাপী ক্রীড়া ও সংস্কৃতির এক অনন্য উৎসবে পরিণত করবে।