NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ | ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউক্রেনে পৌঁছেছেন ট্রাম্পের দূতরা জার্মানির রাজ্য নির্বাচনে রেকর্ড ভোট পেয়েও সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তায় এএফডি গোলকিপার কোমানের জোড়া গোল, ডাচ লিগে ইতিহাস হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন আমিশা প্যাটেল কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্প-মেলানিয়ার সংসারে ‘পরকীয়ার’ গুঞ্জন আরো তীব্র হলো কী বার্তা নিয়ে মস্কো গেলেন ট্রাম্পের দূতরা ‘আমার খেলার মানের কাছাকাছিও নেই’—এনজোকে নিয়ে ব্রুইনার কড়া মন্তব্য ভেনিসে প্রশংসিত প্যাটিনসনের ‘প্রাইমটাইম’
Logo
logo

যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি গঠনে সম্মত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া


খবর   প্রকাশিত:  ২৩ জুন, ২০২৬, ০৯:০৬ এএম

যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি গঠনে সম্মত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া

প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা আরো জোরদার করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া। এ লক্ষ্যে দুই দেশ দ্বিপক্ষীয় যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি (জেসিডিসি) গঠন করবে।

 

সোমবার (২২ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর উপলক্ষে দুই দেশের যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

একই দিন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দুই দেশ ৩৩ দফা যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত উচ্চ পর্যায়ের সামরিক সফর, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং শুভেচ্ছামূলক নৌবন্দর পরিদর্শনের মাধ্যমে গড়ে ওঠা দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার প্রশংসা করেছেন।

 

উভয় নেতা সামরিক বিজ্ঞান, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং প্রতিরক্ষা শিল্প অংশীদারি কৌশলগত সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারকটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন।

তারা একটি কাঠামোগত প্রতিরক্ষা রোডম্যাপ প্রণয়নের লক্ষ্যে দ্বিপক্ষীয় যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি (জেসিডিসি) গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এ ছাড়া উভয় পক্ষ নিজ নিজ জাতীয় প্রতিরক্ষা কলেজ ও কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজে পারস্পরিক আসন বরাদ্দসহ বিভিন্ন কোর্স ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তারা যৌথ সামরিক মহড়া, পূর্ব-নিয়োজিত প্রশিক্ষণ এবং বিশেষজ্ঞ জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়ের মাধ্যমে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

 

যৌথ বিবৃতিতে আরো বলা হয়, সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থার সব রূপ মোকাবেলায় গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি উদ্যোগ এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরো শক্তিশালী করা হবে।