NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুলাই ৭, ২০২৬ | ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি ‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী? জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দলের নয়, শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে সংসদে যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ জুন, ২০২৬, ১০:০৬ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে সংসদে যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের করা ‘এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ(এআরটি)’  চুক্তিকে অসম ও দেশবিরোধী বললেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতীয় সংসদে এই চুক্তির পক্ষে সাফাই গাইলেন।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেছেন, এই চুক্তি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে। 

বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে গাজীপুর-৫ আসনের সাংসদ এ কে এম ফজলুল হক মিলনের করা এক প্রশ্নের জবাবে এআরটি নিয়ে খলিলুর রহমান এমন মন্তব্য করেন। এই প্রশ্নের উত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়েছে।

এ কে এম ফজলুল হক মিলন তার প্রশ্নে জানতে চান নতুন রপ্তানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে কূটনৈতিক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে কিনা? 

 

জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি, ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়ানো, আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক সম্মেলন আয়োজনের তথ্য তুলে ধরেন। 

খলিলুর রহমান বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্প্রতি অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ (এআরটি) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন তুলা ব্যবহার করে উৎপাদিত তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্ক সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে। চুক্তিটি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিনদিন আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই চুক্তি করে। এই চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকা থেকে তুলা, জ্বালানি পণ্য, সয়াবিন, গম, উড়োজাহাজসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি হয়েছে বলে ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন। চুক্তি অনুযায়ী, এতে বাংলাদেশকে মানতে হবে ১৩১টি শর্ত।