NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুলাই ৭, ২০২৬ | ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি ‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী? জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দলের নয়, শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ মিশনকে চিঠি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ জুন, ২০২৬, ১০:০৬ এএম

খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ মিশনকে চিঠি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় অনুষ্ঠিত শোকজ্ঞাপন কর্মসূচির বিস্তারিত এবার আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হলো কলকাতাস্থ বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনকে।

গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রয়াত হন খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুর পর চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধিবেশনের শুরুতে খালেদা জিয়া ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রয়াত বিশিষ্ট ব্যক্তি, সাবেক মন্ত্রী, বর্তমান ও সাবেক বিধায়কদের স্মরণে শোকপ্রস্তাব গৃহীত হয়।

বিধানসভায় শোকজ্ঞাপনের সময় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে দিনের জন্য অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করা হয়। ৫ ফেব্রুয়ারি রাজ্যপালের ভাষণের মধ্য দিয়ে পুনরায় অধিবেশন শুরু হয়।

এবার সেই শোকজ্ঞাপন পর্বের কার্যবিবরণী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ মিশনের কাছে পাঠাল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা কর্তৃপক্ষ। ২ জুন বিধানসভার প্রধান সচিব সৌমেন্দ্র নাথ বসু কলকাতাস্থ বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনারকে চিঠি পাঠিয়ে বিষয়টি জানান।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজ্য সরকারের নির্দেশে ২০২৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির বিধানসভা অধিবেশনে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গৃহীত শোকবার্তার অংশবিশেষ পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁর পরিবারের সদস্যদের কাছেও সেই বার্তা পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

রাজনৈতিক মহলে এই পদক্ষেপকে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের পারস্পরিক কূটনৈতিক ও মানবিক সম্পর্কের দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।