NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুলাই ৮, ২০২৬ | ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি ‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী? জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দলের নয়, শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

আল-আকসায় প্রবেশে ইসরায়েলের বাধা, ফটকেই ঈদের নামাজ আদায় ফিলিস্তিনিদের


খবর   প্রকাশিত:  ২০ মার্চ, ২০২৬, ০৯:০৩ পিএম

আল-আকসায় প্রবেশে ইসরায়েলের বাধা, ফটকেই ঈদের নামাজ আদায় ফিলিস্তিনিদের

পবিত্র আল-আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনিদের ঈদের নামাজ আদায়ে বাধা দিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। প্রধান ফটকগুলো বন্ধ করে দেওয়ায় শত শত মুসল্লি মসজিদে প্রবেশ করতে পারেননি। বাধ্য হয়ে তারা মসজিদের প্রবেশদ্বার এবং আশেপাশের রাস্তাগুলোতে নামাজ আদায় করেন।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, এদিন ইসরায়েলি সেনারা মসজিদের ভেতরের চত্বরে মুসল্লিদের প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের দামেস্ক গেট এলাকায় মুসল্লিরা জড়ো হন। কারণ সেখান থেকেই তারা সবচেয়ে কাছে গিয়ে নামাজ পড়তে পেরেছেন।

 

জেরুজালেম গভর্নরেট এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত’ এবং একটি ‘বিপজ্জনক উসকানি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, এসব পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো জেরুজালেমকে ইহুদিকরণ করা এবং মসজিদটিকে ফিলিস্তিনি ও ইসলামী পরিচয় থেকে বিচ্ছিন্ন করা।

 

উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গত ২১ দিন ধরে আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের প্রবেশ করতে দিচ্ছে না ইসরায়েল।

গাজায় ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ঈদ

অন্যদিকে, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় চিত্র আরও করুণ। দীর্ঘ মাসের যুদ্ধ ও ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত গাজায় ফিলিস্তিনিরা ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। যেসব মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, তার সামনেই বা খোলা আকাশের নিচে জায়নামাজ বিছিয়ে আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন তারা।

গণহত্যা ও বাস্তুচ্যুতির ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও গাজার মানুষ তাদের দীর্ঘদিনের ঈদ ঐতিহ্য বজায় রাখার চেষ্টা করছেন।

 

 

 

স্থানীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে ইসরায়েলি হামলায় গাজার প্রায় ১ হাজার ২৪০টি মসজিদের মধ্যে এক হাজার ১০০টির বেশি ধ্বংস হয়ে গেছে।