NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬ | ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ-জাপান চারটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি অনুদান চুক্তি সই উন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে বেড়েই চলছে প্রাণহানি নির্বাচনে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর ‘কারচুপির’ অভিযোগ অর্থ আত্মসাতের মামলায় গায়ক ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার ‘ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব’, তারেক রহমানকে নিয়ে এক্স পোস্টে যা বললেন তাকাইচি নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্পের নতুন কৌশল ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর ভারতকে চাপ দিতে বলল পোল্যান্ড ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, চলছে নানা জল্পনা ‘কিং’-এর পোস্টারে প্রেমিক রূপে শাহরুখ
Logo
logo

বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের বৈঠক


খবর   প্রকাশিত:  ০২ মার্চ, ২০২৬, ০৯:০৩ পিএম

বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের বৈঠক

ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের সার কারখানাগুলোতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। একই সঙ্গে সিলেটের চা শিল্প, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), সীফুড ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সোমবার (২ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে বৈঠকে এ আহ্বান জানান মন্ত্রী। বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের বিদ্যমান বাণিজ্য সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং নতুন খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

 

 

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কার্যকর ও টেকসই অর্থনৈতিক সম্পর্কোন্নয়নের মাধ্যমে পারস্পরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চায়। ব্রেক্সিট-পরবর্তী সময়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সিলেট অঞ্চলের চা শিল্পের আধুনিকায়ন ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগ প্রয়োজন। বাংলাদেশের চা শিল্পে ব্রিটিশ বিনিয়োগের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা রয়েছে।

এ খাতে আধুনিক প্রযুক্তি ও পুঁজি এলে উৎপাদন বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটবে।
 

তিনি আরও বলেন, গ্যাস সংকটের কারণে দেশের সার কারখানাগুলো সারা বছর সচল রাখা সম্ভব হয় না। এলপিজি বা বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থার মাধ্যমে সার কারখানা বছরজুড়ে চালু রাখতে বিদেশি বিনিয়োগ অপরিহার্য। এ প্রেক্ষাপটে ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

পাশাপাশি দেশের দ্রুত বিকাশমান আইসিটি খাতেও যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেন।

 

ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক দুই দেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বমূলক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীরা সিলেটের চা বাগান, সীফুড, লেদার প্রসেসিং, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে আগ্রহী। এ ছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ট্রেড নেগোসিয়েশন পুলের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করার আগ্রহও প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এবং অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. আবদুর রহিম খান উপস্থিত ছিলেন।