NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬ | ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ-জাপান চারটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি অনুদান চুক্তি সই উন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে বেড়েই চলছে প্রাণহানি নির্বাচনে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর ‘কারচুপির’ অভিযোগ অর্থ আত্মসাতের মামলায় গায়ক ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার ‘ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব’, তারেক রহমানকে নিয়ে এক্স পোস্টে যা বললেন তাকাইচি নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্পের নতুন কৌশল ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর ভারতকে চাপ দিতে বলল পোল্যান্ড ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, চলছে নানা জল্পনা ‘কিং’-এর পোস্টারে প্রেমিক রূপে শাহরুখ
Logo
logo

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের


খবর   প্রকাশিত:  ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১০:০২ এএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্য গ্রেস মেং। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নির্বাচন এবং নতুন সরকার গঠন নিয়ে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে তিনি এই অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। গ্রেস মেং তার বিবৃতিতে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী এবং এদেশের সাধারণ মানুষকে সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য সাধুবাদ জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে গ্রেস মেং বলেন, বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

আমি নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের জনগণকে তাদের সাম্প্রতিক নির্বাচনের জন্য অভিনন্দন জানাই। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অনেক বাংলাদেশি এই নির্বাচন প্রক্রিয়া অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। তারা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের সুসংহত রূপ, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, মানবাধিকার রক্ষা এবং দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী। ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো দৃঢ় ও অর্থবহ করতে তিনি কাজ চালিয়ে যেতে আগ্রহী বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন।

 

গ্রেস মেং বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো প্রসারিত হলে তা দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় দুই দেশ একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। পাশাপাশি তার নিজ নির্বাচনী এলাকায় বসবাসরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যদের অধিকার রক্ষা ও তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এই কংগ্রেস সদস্য।

তিনি আরো জানান, প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের মাতৃভূমির অগ্রগতি নিয়ে সব সময়ই ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চান এবং মার্কিন আইনপ্রণেতা হিসেবে তিনি সেই সেতুবন্ধ আরো মজবুত করবেন।