NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬ | ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ-জাপান চারটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি অনুদান চুক্তি সই উন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে বেড়েই চলছে প্রাণহানি নির্বাচনে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর ‘কারচুপির’ অভিযোগ অর্থ আত্মসাতের মামলায় গায়ক ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার ‘ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব’, তারেক রহমানকে নিয়ে এক্স পোস্টে যা বললেন তাকাইচি নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্পের নতুন কৌশল ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর ভারতকে চাপ দিতে বলল পোল্যান্ড ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, চলছে নানা জল্পনা ‘কিং’-এর পোস্টারে প্রেমিক রূপে শাহরুখ
Logo
logo

ভোটের ফল হাতে না নিয়ে কেউ ঘরে ফিরবেন না : জামায়াত আমির


খবর   প্রকাশিত:  ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১১:০২ এএম

ভোটের ফল হাতে না নিয়ে কেউ ঘরে ফিরবেন না : জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ভোটের রেজাল্ট হাতে না নিয়ে আপনারা কেউ ঘরে ফিরবেন না। তিনি বলেন, ভোট দেওয়ার পরেও যেন কোনোভাবে ভোট নষ্ট না হয়, সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা কারো আনুকূল্য চাই না, আবার অন্য কাউকে আনুকূল্য দেখানো হোক—এটাও আমরা দেখতে চাই না।

সবাই যেন নিরপেক্ষতার সঙ্গে যার যার দায়িত্ব পালন করেন, সেটাই আমরা চাই।

 

তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচনের দিন নানা ধরনের গুজব ও রিউমার ছড়ানো হতে পারে। এ বিষয়ে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ১১ দলের পক্ষ থেকে কোনো সুস্পষ্ট বক্তব্য না আসা পর্যন্ত বিভ্রান্তিমূলক কথায় কান না দিতে আমরা জনগণকে আহ্বান জানাব।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পরাজয়ের ভয়ে ভীত কোনো পক্ষ মিথ্যা অপবাদ, ভয়ভীতি কিংবা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে।

কিন্তু এসব মোকাবিলা করেই ইনশাআল্লাহ আপনারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন এবং ভোটের ফলাফল হাতে না নিয়ে কেউ ফিরবেন না। তিনি বলেন, ভোট দেওয়ার আগেও বা পরে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হতে পারে, তবে এই বীর জাতি সব বাধা মোকাবিলা করেই নির্বাচন সফল করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

তিনি আরো বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যে সরকার গঠিত হবে, সেটিই হবে নতুন বাংলাদেশের সরকার। এই সরকার হবে জনআকাঙ্ক্ষার সরকার।

 

তার ভাষায়, এই সরকার হবে কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি জনতার সরকার, মাঝি-মজুরসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সরকার, নারী-পুরুষের সরকার, শিশু-আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার সরকার। এই সরকার কোনো দল, গোষ্ঠী কিংবা পরিবারের সরকার হবে না—এই সরকার হবে জনগণের সরকার।

নির্বাচন প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, আমরা বললেই নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না, আবার আমরা সুষ্ঠু হয়নি বললেও সেটি চূড়ান্ত হবে না। জনগণ যদি বলে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে, আমরা তা শ্রদ্ধার সঙ্গে মেনে নেব। 

তিনি বলেন, সরকারে থাকা বা বিরোধী দলে বসা—কোনোটিই মুখ্য নয়, বরং জনগণের রায়ের প্রতিই তাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

 

তিনি আরো বলেন, যদি আমরা বিজয়ী হই, তাহলে অতীতের নির্যাতন ও নিপীড়নের অবসান ঘটবে এবং যৌক্তিক ও ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করা হবে। আবরার থেকে শুরু করে বিপ্লবী শরীফ উসমান হাদী পর্যন্ত সবার পরিবার বিচার পাবে। একই সঙ্গে তিনি ১ হাজার ৪০০ শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং জুলাই যোদ্ধাদের অবদানের কথা স্মরণ করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে আমাদের অবস্থান শুরু থেকেই স্পষ্ট। দুর্নীতি ও দুঃশাসনের কারণে গত ৫৪ বছরে জাতি অনেক পিছিয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান এবং সমাজে সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই জামায়াতের অঙ্গীকার। এই দুইটি নিশ্চিত করা গেলে সমাজের পশ্চাৎপদ অবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব হব।