NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুলাই ৭, ২০২৬ | ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি ‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী? জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দলের নয়, শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজনে ব্যাক-চ্যানেল আলোচনায় আইসিসি


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০২ এএম

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজনে ব্যাক-চ্যানেল আলোচনায় আইসিসি

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না পাকিস্তান— এমন খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। পরিস্থিতি সামাল দিতে কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বৈশ্বিক ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে আইসিসি ব্যাক-চ্যানেল আলোচনায় (অনানুষ্ঠানিকভাবে চলা আলোচনা বা যোগাযোগ) যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই আলোচনার নেতৃত্ব দিতে নাকি আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

সিঙ্গাপুর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি ইমরান খাজা শিগগিরই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)-এর সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন বলে জানা গেছে। আলোচনার মূল উদ্দেশ্য হলো, পিসিবিকে তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনায় রাজি করানো এবং আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বহুল আলোচিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি আয়োজন নিশ্চিত করা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভারতীয় মিডিয়ায় ইমরান খাজার ভূমিকাকে ‘শান্তিদূত’ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত রোববার পাকিস্তান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয় যে, জাতীয় দল নির্ধারিত বিশ্বকাপ ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে না।

এই ঘোষণার পর থেকেই বিশ্বকাপের সূচি ও বাণিজ্যিক দিক নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়।

 

তবে ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি, এখনো পর্যন্ত পিসিবি আনুষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমে আইসিসিকে তাদের সিদ্ধান্ত জানায়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান তাদের অবস্থান বদলাবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।