NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মার্চ ৮, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী ‘ইরানি হামলার’ জেরে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লিগ ট্রাম্পের হুমকির পরপরই পাল্টা সতর্কবার্তা দিল ইরান ‘রোনালদোর চোট ধারণার চেয়েও গুরুতর’ তৃষার সঙ্গে ম্যাচিং পোশাকে বিয়েবাড়িতে বিজয়, ফের আদালতে স্ত্রী রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
Logo
logo

পুতিনকে নববর্ষের বার্তায় যা বললেন কিম জং উন


খবর   প্রকাশিত:  ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:১২ এএম

পুতিনকে নববর্ষের বার্তায় যা বললেন কিম জং উন

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে পাঠানো নববর্ষের শুভেচ্ছা বার্তায় ইউক্রেন যুদ্ধে দুদেশের মধ্যে ‘রক্ত, জীবন ও মৃত্যুর বন্ধন’ গড়ে ওঠার কথা তুলে ধরেছেন। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) এ বার্তা প্রকাশ করে। 

বার্তায় কিম বলেন, ২০২৫ সাল উত্তর কোরিয়া–রাশিয়া দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্য একটি ‘অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বছর’। ইউক্রেন যুদ্ধে একই ট্রেঞ্চে রক্ত ঝরিয়ে এই জোট আরও সুসংহত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

দক্ষিণ কোরিয়া ও পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, ইউক্রেনে রাশিয়ার প্রায় চার বছর ধরে চলা সামরিক অভিযানে সহায়তা দিতে পিয়ংইয়ং হাজার হাজার সেনা পাঠিয়েছে। উত্তর কোরিয়া চলতি বছরের এপ্রিলে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে যে, তারা ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে সমর্থন দিতে সেনা মোতায়েন করেছে এবং সংঘর্ষে তাদের সেনারা নিহত হয়েছেন।

এ ছাড়া চলতি মাসের শুরুতে পিয়ংইয়ং জানায়, ২০২৫ সালের আগস্টে রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে মাইন পরিষ্কারের কাজে উত্তর কোরীয় সেনা পাঠানো হয়েছিল। ওই অঞ্চলে ১২০ দিনের অভিযানে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং রেজিমেন্টের অন্তত ৯ জন সেনা নিহত হন বলে ১৩ ডিসেম্বর ইউনিটটির দেশে ফেরার অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে জানান কিম জং উন। 

 

পুতিনকে নববর্ষের শুভেচ্ছা পাঠানোর একদিন আগেই কিম জং উন দেশটির কর্মকর্তাদের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন জোরদার করার নির্দেশ দেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উত্তর কোরিয়া ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব পরীক্ষার লক্ষ্য হলো নির্ভুল আঘাত হানার সক্ষমতা বৃদ্ধি, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানানো এবং রাশিয়ায় রপ্তানির আগে অস্ত্রের কার্যকারিতা যাচাই করা।

রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধ করতে সেনা পাঠানোর পাশাপাশি উত্তর কোরিয়া মস্কোকে আর্টিলারি শেল, ক্ষেপণাস্ত্র এবং দূরপাল্লার রকেট সিস্টেম সরবরাহ করেছে বলে জানা গেছে। এর বিনিময়ে রাশিয়া উত্তর কোরিয়াকে আর্থিক সহায়তা, সামরিক প্রযুক্তি এবং খাদ্য ও জ্বালানি সরবরাহ করছে বলে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন।