NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, অক্টোবর ২৩, ২০২৬ | ৭ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া সেই আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পসহ বিদেশি নেতাদের বক্তব্য ‘অগ্রহণযোগ্য’: ম্যাখোঁ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কেন বিতর্কে মেটা ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মেতেছেন শাওন দ্বিতীয় মেয়ের নাম প্রকাশ করলেন দীপিকা-রণবীর তিন বিভাগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কৃষকদের জন্য ৮০০ কোটি ডলার জ্বালানি সহায়তার ঘোষণা ট্রাম্পের সহিংস বিক্ষোভে টালমাটাল ফ্রান্স, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিল পুলিশ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে থাকতে পারে ভিএআর, উন্নত প্রযুক্তির বল ‘চিরকুট’ সিনেমায় মেহেদী-ঐশীর ‘রঙ্গিলা আসমান’
Logo
logo

ভারত থেকে বিনিয়োগ তুলে নিয়েছে ম্যান সিটির মালিকপক্ষ


খবর   প্রকাশিত:  ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৬:১২ পিএম

ভারত থেকে বিনিয়োগ তুলে নিয়েছে ম্যান সিটির মালিকপক্ষ

কয়েক দিন ধরে গুঞ্জন চলছিল, শেষ পর্যন্ত তা-ই সত্যি হলো। ম্যানচেস্টার সিটি ফুটবল গ্রুপ (সিটি ফুটবল গ্রুপ বা সিএফজি) মুম্বাই সিটি এফসির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক শেষ করার ঘোষণা দিয়েছে। ভারতীয় ঘরোয়া ফুটবলে বড় স্বপ্ন নিয়ে প্রবেশ করা সিএফজি মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যে সব বিনিয়োগ তুলে নিল।

২০১৯ সালের নভেম্বরে সিএফজি মুম্বাই সিটির ৬৫ শতাংশ মালিকানা কিনেছিল। তখন আশা করা হয়েছিল, বিশ্বমানের এই ক্লাব ভারতের ফুটবলের দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে দেবে।

কিন্তু পাঁচ বছরের মাথায় তারা শেয়ার ফেরত দিয়েছে ক্লাবের প্রাক্তন মালিক রণবীর কাপুর এবং বিমল পারেখের কাছে, ফলে মুম্বাই সিটি আবারও পুরোপুরি ভারতীয় মালিকানাধীন হলো।

এই পাঁচ বছরে মুম্বাই সিটি মাঠের লড়াইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে—দুবার আইএসএল লিগ শিল্ড ও আইএসএল কাপ জিতেছে। তবুও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে মাঠের সাফল্য ফ্যাকাশে হয়ে গেছে।

 

সিএফজি আইএসএলের অস্থিতিশীলতাকেই বিদায়ের মূল কারণ হিসেবে দেখিয়েছে। তাদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লিগের ভবিষ্যৎ খুবই অনিশ্চিত। পরের মৌসুম কখন শুরু হবে, তা কেউ জানে না। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় বিশ্বাসী এই গ্লোবাল গ্রুপ এমন পরিস্থিতিতে আর বিনিয়োগ করতে রাজি নয়।

আইএসএল এখন জটিল অবস্থায় পড়ে গেছে। ২০২৫-২৬ মৌসুম গত সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, এআইএফএফ ও বাণিজ্যিক অংশীদার এফএসডিএলের দ্বন্দ্বের কারণে লিগ থমকে আছে। নতুন টেন্ডার আনা হলেও কোনো কোম্পানি লিগ পরিচালনায় আগ্রহ দেখায়নি। ক্লাবগুলো লিগ চালানোর প্রস্তাব দিয়েও ব্যর্থ হয়েছে। ফলে আইএসএল এখন ‘অচলাবস্থা’তে, যেখানে খেলোয়াড় ও বিনিয়োগকারীরা অন্ধকারে পথ খুঁজছে।