NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুলাই ৮, ২০২৬ | ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি ‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী? জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দলের নয়, শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ৪০ লাখ দক্ষ ক্যাডেট তৈরি করা হবে : বিএনসিসি মহাপরিচালক


খবর   প্রকাশিত:  ১২ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:১১ এএম

২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ৪০ লাখ দক্ষ ক্যাডেট তৈরি করা হবে : বিএনসিসি মহাপরিচালক

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কর্পসের (বিএনসিসি) মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু সায়েদ আল মাসুদ জানিয়েছেন, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ৪০ লাখ দক্ষ ক্যাডেট তৈরির লক্ষ্য নিয়ে তাদের কাজ এগিয়ে চলেছে।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাজধানীর বেইলি রোডে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক সভায় ‘বিএনসিসির মাধ্যমে জাতীয় রূপান্তর’ শীর্ষক এক উপস্থাপনায় তিনি এ তথ্য জানান।

উপস্থাপনাকালে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু সায়েদ বিএনসিসির বর্তমান কাঠামো, যুব দক্ষতা উন্নয়ন কাঠামো, জাতীয় যুব কর্মপরিকল্পনা, প্রয়োজনীয় জনবল, বাজেট, চ্যালেঞ্জ ও সুপারিশ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিএনসিসিতে যোগদানের প্রাথমিক বয়সসীমা ১৭ থেকে ১৮ বছর।

 

বিএনসিসির মহাপরিচালক জানান, বর্তমানে বিএনসিসির অধীনে ৫৬১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিবন্ধিত রয়েছে এবং ভবিষ্যতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এর শাখা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

এসময় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বিএনসিসির লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘আমরা সবাই বিএনসিসিকে সমর্থন করি, তবে এর গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের ভালো, বিশ্বাসযোগ্য প্রশিক্ষক প্রয়োজন এবং ভবিষ্যতপন্থি দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিএনসিসি মানে আত্মসম্মান ও শৃঙ্খলা।

এমন একটি ব্যবস্থা থাকা উচিত, যাতে প্রশিক্ষণ শেষে ক্যাডেটরা সার্টিফিকেট পেতে পারেন, যা তাদের কর্মসংস্থানে সহায়ক হবে। পাশাপাশি নেটওয়ার্কিং সুযোগ তৈরি করতে হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে আরও ভালোভাবে এগিয়ে যেতে পারেন।’

 

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খালিলুর রহমান, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান।