NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী ‘ইরানি হামলার’ জেরে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লিগ ট্রাম্পের হুমকির পরপরই পাল্টা সতর্কবার্তা দিল ইরান ‘রোনালদোর চোট ধারণার চেয়েও গুরুতর’ তৃষার সঙ্গে ম্যাচিং পোশাকে বিয়েবাড়িতে বিজয়, ফের আদালতে স্ত্রী রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
Logo
logo

ফ্রান্সে হেফাজতে থাকা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ২ পুলিশ সদস্য আটক


খবর   প্রকাশিত:  ৩১ অক্টোবর, ২০২৫, ০৯:১০ এএম

ফ্রান্সে হেফাজতে থাকা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ২ পুলিশ সদস্য আটক

ফ্রান্সে হেফাজতে থাকা এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই ফরাসি পুলিশ সদস্যকে আটক এবং সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার একজন প্রসিকিউটর ও পুলিশ প্রধান জানিয়েছেন।

ববিগনি শহরের প্রসিকিউটর এরিক ম্যাথাইস বলেন, অভিযোগকারী নারী বলেছেন যে মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার ভোরের মধ্যে প্যারিসের উত্তরে ববিগনি নামক শহরে এই ঘটনা ঘটে। তিনি আরো জানান, নারীটিকে ‘মা-বাবার অবহেলার কাজ’-এর জন্য ববিগনির পাবলিক প্রসিকিউটরের অফিসে আনা হয়েছিল।

মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছে, অভিযোগকারী নারীর বয়স ২৬ বছর, আর অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তা—যারা বেশিদিন ধরে পুলিশে নেই’—তাদের বয়স যথাক্রমে ২৩ ও ৩৫ বছর।

 

ম্যাথাইস বলেন, পুলিশ সদস্যরা বৃহস্পতিবার হেফাজতে রয়েছেন।

প্যারিস পুলিশের প্রধান প্যাট্রিস ফাউরে এক্সে একটি পোস্টে বলেন, তিনি ওই দুই কর্মকর্তাকে ‘তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত’ করেছেন।

মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দ্বিতীয় একটি সূত্র, যিনিও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, জানিয়েছেন, কর্মকর্তারা তাদের বর্ণনা উল্লেখ করে একটি প্রশাসনিক রিপোর্ট জমা দিয়েছেন।

ফ্রান্সের অভ্যন্তরীণ পুলিশ তদন্ত পরিষেবা আইজিপিএন এই মামলাটি খতিয়ে দেখছে।

 

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ফ্রান্সে বেশ কিছু হাই-প্রোফাইল ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, যা সম্মতির বিষয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, দেশটির পার্লামেন্ট বুধবার একটি বিল গ্রহণ করেছে, যেখানে ধর্ষণকে যেকোনো অসম্মতিসূচক যৌন কর্ম হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। সমর্থকরা এই ভোটকে ‘ধর্ষণের সংস্কৃতি থেকে সম্মতির সংস্কৃতিতে’ উত্তরণের একটি পদক্ষেপ হিসেবে প্রশংসা করেছেন।