NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬ | ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ-জাপান চারটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি অনুদান চুক্তি সই উন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে বেড়েই চলছে প্রাণহানি নির্বাচনে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর ‘কারচুপির’ অভিযোগ অর্থ আত্মসাতের মামলায় গায়ক ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার ‘ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব’, তারেক রহমানকে নিয়ে এক্স পোস্টে যা বললেন তাকাইচি নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্পের নতুন কৌশল ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর ভারতকে চাপ দিতে বলল পোল্যান্ড ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, চলছে নানা জল্পনা ‘কিং’-এর পোস্টারে প্রেমিক রূপে শাহরুখ
Logo
logo

প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্য দাবিতে ভিডিও ছড়িয়ে গুজব সৃষ্টির অপচেষ্টা


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:১০ এএম

প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্য দাবিতে ভিডিও ছড়িয়ে গুজব সৃষ্টির অপচেষ্টা

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মন্তব্য দাবি করে টিকটকে ভিডিও ছড়িয়ে গুজব ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম ‘বাংলাফ্যাক্ট’।

বাংলাফ্যাক্ট জানায়, আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণে আগামী জাতীয় নির্বাচন দুমাস পিছিয়ে এপ্রিলে হবে-প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্প্রতি এমন মন্তব্য করেছেন দাবি করে টিকটকে একটি ভিডিও ছড়ানো হয়েছে।

তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, প্রধান উপদেষ্টা সম্প্রতি এমন কোন মন্তব্য করেননি। গত ৬ জুন জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আগামী বছরের এপ্রিলের প্রথমার্ধের যেকোন একটি দিনে জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রাথমিক তারিখ ঘোষণা করেন তিনি। 

পরবর্তীতে ৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আগামী জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেন ড. ইউনূস। ৬ জুনের প্রধান উপদেষ্টার আগের ঘোষণার ভিডিও সম্প্রতি নির্বাচন পেছানোর দাবি করে ছড়ানো হয়েছে।

গত বছর থেকে ভারতীয় গণমাধ্যম এবং ভারত থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, পাশাপাশি দেশেও বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশকে জড়িয়ে, অন্তর্বর্তী সরকার, সাম্প্রতিক খাগড়াছড়ি ইস্যু, এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনে অংশ নেওয়া দল ও সংগঠনের বিরুদ্ধে গুজব ও ভুয়া তথ্য প্রচারের হার বেড়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছে ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাফ্যাক্ট’। 

বাংলাদেশে চলমান গুজব, ভুয়া খবর ও অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট।