NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬ | ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ-জাপান চারটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি অনুদান চুক্তি সই উন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে বেড়েই চলছে প্রাণহানি নির্বাচনে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর ‘কারচুপির’ অভিযোগ অর্থ আত্মসাতের মামলায় গায়ক ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার ‘ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব’, তারেক রহমানকে নিয়ে এক্স পোস্টে যা বললেন তাকাইচি নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্পের নতুন কৌশল ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর ভারতকে চাপ দিতে বলল পোল্যান্ড ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, চলছে নানা জল্পনা ‘কিং’-এর পোস্টারে প্রেমিক রূপে শাহরুখ
Logo
logo

প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী ৬২ জন, ব্যাখ্যা দিলেন সিনিয়র সহকারী প্রেসসচিব


খবর   প্রকাশিত:  ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১১:০৯ এএম

প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী ৬২ জন, ব্যাখ্যা দিলেন সিনিয়র সহকারী প্রেসসচিব

৮০তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে সদস্যসংখ্যা ৬২ জন, যা গত বছরের ৫৭ জনের চেয়ে সামান্য বেশি। গত বছরের পরিসংখ্যানে প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে সফরসঙ্গী হিসেবে ছয়জন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। এই বছরের প্রতিনিধিদলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই নিরাপত্তাকর্মী, যারা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়োজিত রয়েছে। আওয়ামী লীগ সমর্থকদের কাছ থেকে ক্রমাগত হুমকির প্রেক্ষাপটে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নিরাপত্তা নিশ্চিতে লোকবল কিছুটা বাড়ানো হলেও তা পর্যাপ্ত নয়, সুরক্ষা প্রদানের জন্য অনেক নিরাপত্তা কর্মকর্তা দৈনিক ১৬ ঘণ্টার শিফটে কাজ করছেন।

 

শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেসসচিব ফয়েজ আহম্মদ। তিনি পোস্টে লেখেন, টিআইবির সাম্প্রতিক বিবৃতি, দুঃখজনকভাবে যা ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। এর বিপরীতে আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য হলো, ৮০তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে সদস্যসংখ্যা শেখ হাসিনা আমলের তুলনায় কম তো বটেই, বরং অনেক বেশি লক্ষ্যনির্ভর ও পরিশ্রমীও।

টিআইবি একটি মর্যাদাপূর্ণ নাগরিক সমাজের সংগঠন, যা স্বচ্ছতার পক্ষে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। তাই এটি অত্যন্ত হতাশাজনক যে তারা তথ্য যাচাই না করেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটি পোস্টের ভিত্তিতে বিবৃতি জারি করেছে।

 

তিনি আরো লেখেন, টিআইবি ভুলভাবে দাবি করেছে যে প্রতিনিধিদলে সদস্যসংখ্যা ১০০ জনের বেশি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সংখ্যাটি ৬২, যা গত বছরের ৫৭ জনের চেয়ে সামান্য বেশি।

এখানে উল্লেখযোগ্য যে গত বছরের পরিসংখ্যানে প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে সফরসঙ্গী হিসেবে ছয়জন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। এই বছরের প্রতিনিধিদলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই নিরাপত্তাকর্মী, যারা প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়োজিত রয়েছে। আওয়ামী লীগ সমর্থকদের কাছ থেকে ক্রমাগত হুমকির প্রেক্ষাপটে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপত্তা নিশ্চিতে লোকবল কিছুটা বাড়ানো হলেও তা পর্যাপ্ত নয়, সুরক্ষা প্রদানের জন্য অনেক নিরাপত্তা কর্মকর্তা দৈনিক ১৬ ঘণ্টার শিফটে কাজ করছেন।

 

প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেসসচিব লেখেন, সরকার স্বীকার করে যে প্রতিনিধিদলের আকার নিয়ে প্রশ্ন ওঠা অস্বাভাবিক নয়।

তবে এ বছরের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এমন এক সময়ে যখন বিভিন্ন মহল সচেতনভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করতে একটি সম্মিলিত প্রচারণাও চালিয়ে যাচ্ছে, তখন বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক পরিসরে দৃঢ় ও সক্রিয় উপস্থিতি কেবল কৌশলগত নয়, অত্যাবশ্যকও।