NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬ | ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ-জাপান চারটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি অনুদান চুক্তি সই উন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে বেড়েই চলছে প্রাণহানি নির্বাচনে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর ‘কারচুপির’ অভিযোগ অর্থ আত্মসাতের মামলায় গায়ক ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার ‘ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব’, তারেক রহমানকে নিয়ে এক্স পোস্টে যা বললেন তাকাইচি নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্পের নতুন কৌশল ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর ভারতকে চাপ দিতে বলল পোল্যান্ড ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, চলছে নানা জল্পনা ‘কিং’-এর পোস্টারে প্রেমিক রূপে শাহরুখ
Logo
logo

জিএসপি প্লাস সুবিধা: ফ্রান্সের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা


খবর   প্রকাশিত:  ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:০৯ এএম

জিএসপি প্লাস সুবিধা: ফ্রান্সের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২০২৯ সালের পরও বাংলাদেশকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের জিএসপি প্লাস বাণিজ্য সুবিধা অর্জনে ফ্রান্স সমর্থন জোগাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মেরি মাসদুপুই তার সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতে গেলে এমন আশা প্রকাশ করেন তিনি। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ফ্রান্সের ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।

 

বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য সুবিধা, উন্নয়ন সহযোগিতা ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

 

রাষ্ট্রদূত মাসদুপুই তার মেয়াদকালে পাওয়া অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক পরামর্শ দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করবে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের পরবর্তী ধাপের প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে এ ধরনের সুবিধা দেশের উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফ্রান্সের দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার জন্যও তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ে বৈশ্বিক মনোযোগ ক্রমশ কমছে। তাই এ ইস্যুটি আন্তর্জাতিক ফোরামে জোরালোভাবে তুলে ধরা এবং দ্রুত প্রত্যাবাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ফ্রান্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের ধারাবাহিক সম্পৃক্ততা অপরিহার্য।