NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুলাই ৮, ২০২৬ | ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি ‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী? জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দলের নয়, শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

ইরান ও সৌদির মধ্যে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা


খবর   প্রকাশিত:  ১০ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

ইরান ও সৌদির মধ্যে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা

সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস) ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির মধ্যে জেদ্দায় এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তা সৌদি সফর করলেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘায়ি জানান, যুবরাজ মোহাম্মদের সঙ্গে আরাঘচির ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

 

এই বৈঠক এমন এক সময় হলো যখন ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে টানা ১২ দিনের সংঘর্ষে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালায় এবং পরে একটি যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করে। তা সত্ত্বেও, এই সফর প্রমাণ করে যে রিয়াদ-তেহরানের মধ্যকার সম্পর্কোন্নয়ন থেমে যায়নি।

 

সৌদি প্রেস এজেন্সি জানিয়েছে, আরাঘচি ও যুবরাজ এমবিএস বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় চলমান প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

বৈঠকে যুবরাজ বলেন, অস্ত্রবিরতি চুক্তি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। সৌদি আরব সবসময় কূটনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির পক্ষে অবস্থান নেয় বলেও জানান তিনি।

সফরকালে আরাঘচি সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সাউদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।

 

গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে একটি বড় ধরনের বিমান হামলা চালায়, যাতে শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা, পারমাণবিক বিজ্ঞানী এবং শত শত বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। এর পাল্টা জবাবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ইসরায়েলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে।