NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ | ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ট্যাংকার যুদ্ধ: হরমুজ প্রণালি ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা ইউরোপের বাকি দেশগুলোতেও ক্ষমতায় যাচ্ছে কট্টর ডানপন্থীরা? ইতালিতে বাঁধনকে ‘হেনস্তা’, কী বলছেন অভিনেত্রী বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউক্রেনে পৌঁছেছেন ট্রাম্পের দূতরা জার্মানির রাজ্য নির্বাচনে রেকর্ড ভোট পেয়েও সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তায় এএফডি গোলকিপার কোমানের জোড়া গোল, ডাচ লিগে ইতিহাস
Logo
logo

গেটম্যান ও মাইক্রোবাস চালককে দায়ী করে তদন্ত প্রতিবেদন


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ১২:২২ পিএম

>
গেটম্যান ও মাইক্রোবাস চালককে দায়ী করে তদন্ত প্রতিবেদন

মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া এলাকার লেভেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের সঙ্গে মাইক্রোবাসের ধাক্কার ঘটনায় গেটম্যান সাদ্দাম হোসেন ও মাইক্রোবাস চালক গোলাম মোস্তফার দায় পেয়েছে তদন্ত কমিটি।

বুধবার (১৭ আগস্ট) ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিভাগীয় রেলওয়ের ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মুহম্মদ আবুল কালাম চৌধুরী।

তিনি বলেন, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা আনসার আলীকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এই দুর্ঘটনার জন্য দুই জনকে দায়ী করা হয়েছে। এ ঘটনায় গেটম্যান সাদ্দামকে আগেই সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এখন তার বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে প্রতিবেদনের বিষয়ে আর কিছু বলতে চাননি তিনি।

উল্লেখ্য, ওই দুর্ঘটনায় মাইক্রোবাস চালক গোলাম মোস্তফা মারা যান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় গেটম্যান সাদ্দাম ঘটনাস্থলে ছিলেন না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে বিভাগীয় রেলওয়ের ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মুহম্মদ আবুল কালাম চৌধুরীর কাছে পাঁচ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি জমা দেয় তদন্ত কমিটি।

গত ২৯ জুলাই দুপুরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ১৩ জন নিহত হন।

ওইদিন সন্ধ্যায় গেটম্যান সাদ্দামকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। এরপর থেকে এ মামলায় কারাগারে আছেন সাদ্দাম।

ঘটনার পর রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা আনসার আলীকে প্রধান করে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল।