NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬ | ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ-জাপান চারটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি অনুদান চুক্তি সই উন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে বেড়েই চলছে প্রাণহানি নির্বাচনে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর ‘কারচুপির’ অভিযোগ অর্থ আত্মসাতের মামলায় গায়ক ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার ‘ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব’, তারেক রহমানকে নিয়ে এক্স পোস্টে যা বললেন তাকাইচি নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্পের নতুন কৌশল ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর ভারতকে চাপ দিতে বলল পোল্যান্ড ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, চলছে নানা জল্পনা ‘কিং’-এর পোস্টারে প্রেমিক রূপে শাহরুখ
Logo
logo

‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ শুরু


খবর   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৯:৩৯ এএম

‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ শুরু

‘নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে শুরু হয়েছে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’। শোভাযাত্রাটি শাহবাগ মোড় ঘুরে টিএসসি মোড়, শহীদ মিনার, শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্র, দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির সামনের রাস্তা দিয়ে ফের চারুকলা অনুষদে গিয়ে শেষ হবে। 

আজ সোমবার সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড.নিয়াজ আহমেদ খানের নেতৃত্বে এ শোভাযাত্রা শুরু হয়। শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবারের শোভাযাত্রায় ২৮টি জাতিগোষ্ঠী, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন দেশের অতিথি অংশ নিয়েছেন। এ বছর প্রধান ৭টি মোটিফ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশে দীর্ঘসময়ের ফ্যাসিবাদী শাসনের চিত্র তুলে ধরতে ‘ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি’ মোটিফ রাখা হয়েছে।  

এবারের পহেলা বৈশাখের আবহ অন্যবারের চেয়ে একটু আলাদা।

গেল ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এটাই প্রথম বাংলা নববর্ষ উদযাপন। নতুন চেতনায় বর্ষবরণ আয়োজনের প্রচেষ্টা চলছে দেশজুড়ে। বাংলা বর্ষবরণের অন্যতম আয়োজন ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নামটি বদলে নতুন নাম হয়েছে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’।

 

মোগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ সালে তার শাসন ব্যবস্থার উন্নয়নে বাংলা সাল প্রবর্তন করেন।

সেই সময় রাজস্ব আদায় হতো হিজরি চন্দ্রপঞ্জিকা অনুযায়ী, যা ছিল পুরোপুরি চন্দ্রনির্ভর। কিন্তু কৃষিভিত্তিক সমাজে এটি ছিল অনুপযোগী। কারণ, কৃষির মৌসুম অনুযায়ী রাজস্ব নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই রাজস্ব আদায়ের সুবিধার্থে শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন ইত্যাদি কৃষি মৌসুম ও আবহাওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মিশ্র সৌর ও চন্দ্র পদ্ধতির ভিত্তিতে তৈরি হয় ‘তারিখ-ই-ইলাহি’, যা-ই পরে পরিচিতি পায় বাংলা সাল নামে। এই পঞ্জিকা প্রস্তুত করেন বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ আমির ফতেহউল্লাহ সিরাজী।