NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

১০ দিন আগে কুয়ায় পড়ে যাওয়া শিশুকে উদ্ধারের পর মৃত্যু


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৯:০৩ এএম

১০ দিন আগে কুয়ায় পড়ে যাওয়া শিশুকে উদ্ধারের পর মৃত্যু

ভারতের রাজস্থান রাজ্যের কোটপুতলিতে ১০ দিন ধরে কুয়ায় আটকে থাকা তিন বছরের শিশু চেতনাকে অবশেষে উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরই তার মৃত্যু হয়। পাঁচবারের ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর বুধবার তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল।

চেতনা কোটপুতলির কিরতপুরা গ্রামের বড়িয়ালির ধানি এলাকায় একটি ৭০০ ফুট গভীর কুয়ায় পড়ে গিয়েছিল।

উদ্ধারের পর তাকে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। মেডিক্যাল অফিসার ড. চেতন্য রাওয়াত জানান, শিশুটিকে হাসপাতালে আনার পর জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয় এবং একটি বিশেষ শয্যায় তার পরীক্ষা করা হয়। চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশুটি বেঁচে নেই বলে ঘোষণা করেন। পরে তার মরদেহ মর্গে পাঠানো হয় এবং জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়।

 

এর আগে ২৩ ডিসেম্বর দুপুরে খেলার সময় শিশুটি কুয়ায় পড়ে যায়। প্রায় ১০ মিনিট পর পরিবারের সদস্যরা তার কান্নার শব্দ শুনে কুয়ার ভেতর তাকে আটকে থাকতে দেখে। এরপর ঘটনাস্থলে জাতীয় ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনী (ডিআরএফ) ও একটি মেডিকেলদল পৌঁছয়। শুরু থেকেই তাকে উদ্ধার করার প্রচেষ্টা চালানো হয়।

 

প্রাথমিক প্রচেষ্টায় শিশুটিকে দড়ি দিয়ে ওপরে তোলার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। এরপর অক্সিজেন সরবরাহের জন্য একটি পাইপ ব্যবহার করা হয় এবং উদ্ধারকারীরা খনন কাজ শুরু করে। তবে প্রথমে খনন করা সুড়ঙ্গটি ভুল দিকের হয়ে যায়। শেষ কয়েক ঘণ্টায় শিশুটির কাছে খাবার বা অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়নি। তাই তার অবস্থা সংকটজনক হয়ে পড়ে।

তবে অবশেষে ঠিক সময়ে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

 

জেলা কালেক্টর কল্যাণী আগরওয়াল জানান, কুয়াটি নির্দিষ্ট গভীরতার পর থেকে বাঁকানো ছিল, যা উদ্ধারকাজে সমস্যার সৃষ্টি করে। উদ্ধারকাজের জন্য অবশেষে দিল্লি ও জয়পুর মেট্রোর বিশেষজ্ঞদের ডেকে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে সুড়ঙ্গটি আট ফুট প্রশস্ত করার পরিকল্পনা ছিল, তবে পরে সেটি ১২ ফুট পর্যন্ত প্রসারিত করা হয় উদ্ধার অভিযান সহজ করার জন্য।

শিশুটির দাদা দয়ারাম প্রশাসন ও উদ্ধারদলের অক্লান্ত প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন। তারা শীতের মধ্যে কটিন পরিবেশে কাজ চালিয়ে যান। একই সঙ্গে তিনি প্রশাসনের কাছে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য খোলা কুয়াগুলো ঢেকে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।