NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ৯, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

ব্রিটেনে টিউলিপের ওপর চাপ বাড়ছে


খবর   প্রকাশিত:  ২২ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৩:৪৮ এএম

ব্রিটেনে টিউলিপের ওপর চাপ বাড়ছে

বাংলাদেশের পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ৪০০ কোটি পাউন্ড আত্মসাতের যে অভিযোগ উঠেছে শেখ হাসিনা পরিবারের বিরুদ্ধে, সেখানে নাম আসায় যুক্তরাজ্যের লেবার সরকারের প্রতিমন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিককে দুর্নীতিবিরোধী কাজের দায়িত্ব থেকে সরে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন কনজারভেটিভরা।

টিউলিপের বিরুদ্ধে অভিযোগ, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য ২০১৩ সালে তিনি রাশিয়ার সঙ্গে মধ্যস্থতা করেছিলেন। বাজারদরের চেয়ে বেশি খরচের ওই চুক্তির মধ্য দিয়ে ৩.৯ বিলিয়ন পাউন্ড আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে এই বিদ্যুেকন্দ্রটি নির্মাণ করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত কম্পানি রোসাটম।

 

ডেইলি মেইল লিখেছে, ইউক্রেন যুদ্ধের পর ওই কম্পানি এবং রোসাটম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অন্তত ৪৫টি নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ব্রিটেনের ফিন্যানশিয়াল স্যাংশন ইমপ্লিমেন্টেশন অফিস। আর ওই অফিস দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন স্বয়ং টিউলিপ। রোসাটমের সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি নিয়মিত পর্যালোচনার দায়িত্ব সিটি মিনিস্টার হিসেবে টিউলিপের হাতেই রয়েছে।

কনজারভেটিভ পার্টির স্বরাষ্ট্রবিষয়ক মুখপাত্র ম্যাট ভিকার্স বলেছেন, ‘টিউলিপের ব্যক্তিগত লেনদেন সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তর না মেলা পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা ও দুর্নীতিবিরোধী নীতিগত সিদ্ধান্তের দায়িত্ব থেকে অবশ্যই তাঁকে সরিয়ে রাখতে হবে কিয়ার স্টারমারকে।

 

বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের বরাতে ডেইলি মেইল লিখেছে, অর্থ আত্মসাতের যে অভিযোগ উঠেছে তা ঘটেছে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে, যখন টিউলিপের খালা শেখ হাসিনা দোর্দণ্ড প্রতাপে প্রধানমন্ত্রিত্ব চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তির মাধ্যমে শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ‘আত্মসাৎ’ করেছেন, যা ‘পাচার করা হয়েছে’ মালয়েশিয়ার বিভিন্ন অফশোর ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে।

ডেইলি মেইল লিখেছে, কনজারভেটিভরা টিউলিপকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার যে দাবি তুলেছে, সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি যুক্তরাজ্যের অর্থ মন্ত্রণালয়। তবে লেবার পার্টির নেতারা বলেছেন, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সমর্থনে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।