NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

স্ত্রী-শ্যালিকসহ সাবেক এমপি পাপুলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট


খবর   প্রকাশিত:  ১০ মার্চ, ২০২৫, ০৮:৩৮ এএম

স্ত্রী-শ্যালিকসহ সাবেক এমপি পাপুলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

প্রায় ১১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও ৩১৮ কোটি টাকার সন্দেহভাজন লেনদেনের অভিযোগ এনে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল এবং তার স্ত্রী সাবেক এমপি সেলিনা ইসলাম, শ্যালিকা জেসমিন প্রধান এবং মেয়ে ওয়াফা ইসলামের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

 

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ওই চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটির মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২০ সালের ১১ নভেম্বর কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল এবং তার স্ত্রী সাবেক এমপি সেলিনা ইসলাম, শ্যালিকা জেসমিন প্রধান এবং মেয়ে ওয়াফা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল দুদক। ওই মামলা আসামিদের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৩১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ ও ১৪৮ কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়। মামলার বাদী ছিলেন উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন। 

 

তবে তদন্তে অবৈধ সম্পদ ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে টাকার পরিমাণ বেড়েছে। তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে ১০ কোটি ৯৭ লাখ ৮ হাজার ৩২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া ২০১২ সাল থেকে ২০২০ পর্যন্ত অস্বাভাবিক ও সন্দেহভাজন ৩১৮ কোটি ২৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকা লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে বলে জানা যায়। 

 

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে তা ভোগ দখলে রাখার অপরাধ প্রমাণ হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২০১২ এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারায় চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে।