NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের
Logo
logo

দেড় শ কোটি টাকার সম্পদের মালিক মুহিবপত্নী রেখা


খবর   প্রকাশিত:  ১৯ নভেম্বর, ২০২৪, ১০:৫৪ এএম

দেড় শ কোটি টাকার সম্পদের মালিক মুহিবপত্নী রেখা

পটুয়াখালী-৪ আসনের  সাবেক সংসদ সদস্য এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী মহিবুর রহমান মুহিবের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার রেখার নামে রয়েছে অন্তত ৩৭ একর জমি। এই জমিগুলো মূলত পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটা ও পায়রা বন্দরের আশপাশের এলাকায় অবস্থিত। জমিগুলোর বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় দেড়শ কোটি টাকা।

জানা যায়, ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে মহিবুর রহমান মুহিব এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ফাতেমা আক্তার রেখার জমি কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

২০১৯ সালের ২১ নভেম্বর, তাপস সাহা গংয়ের কাছ থেকে ৮ একর জমি কেনেন। এই জমি ইটবাড়িয়া মৌজায় অবস্থিত, যার দলিল নং ৪৫১২। ২০২৪ সালে, ধুলাসার মৌজায় আলমগীর হোসেন হাওলাদারের কাছ থেকে কেনেন ৫.২৬ একর জমি। ২০২২ সালের ২৬ ডিসেম্বর, বৌলতলী মৌজায় ০.৬১ একর জমি কেনেন রিয়াজুল ইসলাম মিলন তালুকদারের কাছ থেকে।
কাউয়ারচর মৌজায় ২০১৭ সালের ৩১ আগস্ট আব্দুস সত্তার গংয়ের কাছ থেকে ১.৫ একর জমি এবং একই দিনে ১.৩৪ একর জমি কেনেন। এছাড়া ২০১৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর দাদন মিয়ার কাছ থেকে মাত্র ২২ লাখ ৪৫ হাজার টাকায় ১.১২ একর জমি কেনার দলিল করেন।

 

এমন আরও বিভিন্ন সময়ের দলিল থেকে দেখা গেছে, কুয়াকাটা ও পায়রা বন্দর এলাকার মূল্যবান জমি কিনতে রেখা অব্যাহতভাবে সক্রিয় ছিলেন।

স্থানীয় এক সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, স্কুল-কলেজের চাকরি বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্য, এবং টিআর-কাবিখা প্রকল্পের অর্থ লুটপাট করেই এই সম্পদ গড়ে তুলেছেন ফাতেমা আক্তার।

 

ফাতেমা আক্তার রেখা আলহাজ জালাল উদ্দিন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। তার মাসিক বেতন মাত্র ৩৮ হাজার টাকা। এমন সীমিত আয়ের মধ্যে দেড়শ’ কোটি টাকার সম্পদের মালিক হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগ উঠলে ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর ঢাকার একটি নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এক হলফনামায় ফাতেমা আক্তার উল্লেখ করেন যে, হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছ থেকে কেনা ৮ একর জমির বিষয়ে তিনি অবগত নন। হলফনামায় দাবি করেন, তার নাম ব্যবহার করে জমি কেনার রেজিস্ট্রিকৃত দলিল তিনি কিংবা তার নিকটজনেরা সম্পন্ন করেননি।

 

ফাতেমা আক্তার রেখার এই বিপুল সম্পদের উৎস নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। যদি জমি কেনা নিয়ে তার দাবিগুলো সত্য হয়, তাহলে এর সুষ্ঠু তদন্ত প্রয়োজন। অন্যদিকে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে এ ধরনের অপকর্ম বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।