NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ১১, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

আনিসুল হক ও সহযোগী তৌফিকার সম্পদের খোঁজে দুদক


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ অক্টোবর, ২০২৪, ১২:৩৭ এএম

আনিসুল হক ও সহযোগী তৌফিকার সম্পদের খোঁজে দুদক

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও তার সহযোগী অ্যাডভোকেট তৌফিকা করিমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে অনুসন্ধানের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে শিগগিরই অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। দুদক সূত্র কালের কণ্ঠকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

 

অভিযোগে বলা হয়, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক মন্ত্রী থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতি করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। নিজ নামে কসবা, ত্রিশাল এবং পূর্বাচলে ৬.৮০ একর জমি ক্রয় করেছেন। সিটিজেন ব্যাংক, এক্সিম বাংলাদেশে ৪০ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার রয়েছে। সঞ্চয়পত্র, বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা এবং অন্যান্য বিনিয়োগ রয়েছে ২৩ কোটি ২৬ লাখ ৭৯ হাজার ৮৮৪ টাকার।

৪টি গাড়ি ও ১টি মোটরসাইকেলও রয়েছে।

 

এ ছাড়া অ্যাডভোকেট তৌফিকা করিমের নামে-বেনামে দেশে-বিদেশে অঢেল সম্পদ রয়েছে। তৌফিকা করিম সিটিজেন চার্টার ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন। এ সুবাদে তার মাধ্যমে আনিসুল হক কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে কোটি কোটি টাকা পাচার করেছেন।

তিনি নিম্ন আদালতের অধিকাংশ কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে জনপ্রতি ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ নিতেন। দুদকের গোপনীয় অনুসন্ধানে আইনমন্ত্রীর প্রায় সব দুর্নীতির সঙ্গে তৌফিকা করিমের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তারা নিজ নামের পাশাপাশি তাদের আত্মীয়-স্বজনদের নামেও সম্পদ গড়েছেন। এ ছাড়া দুজনেই বিদেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করেছেন।