NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

এমবাপ্পের অভিষেক ম্যাচে রিয়ালের কোচ-খেলোয়াড়দের যত রেকর্ড


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ আগস্ট, ২০২৪, ০৮:২২ এএম

এমবাপ্পের অভিষেক ম্যাচে রিয়ালের কোচ-খেলোয়াড়দের যত রেকর্ড

উয়েফা সুপার কাপের ফাইনাল গতকাল রিয়াল মাদ্রিদের জন্য রেকর্ডের পসরা সাজিয়ে বসেছিল। লস ব্ল্যাংকোসরা চ্যাম্পিয়ন হলেই কোচ ও খেলোয়াড়রা নতুন নতুন রেকর্ডে নাম তুলবেন। আতালান্তার বিপক্ষে গতকাল ২-০ গোলের জয়ে সেই সব রেকর্ড বাস্তবেও পূরণ হয়েছে।

ফাইনালে অবশ্য গতকাল সবার নজর ছিল কিলিয়ান এমবাপ্পের দিকে।

রিয়ালের হয়ে প্রথম ম্যাচ বলে কথা। এই মুহূর্তটার জন্য দীর্ঘ এক প্রহর অপেক্ষা করতে হয়েছে ফ্রান্সের অধিনায়ককে। শৈশব থেকেই স্বপ্ন দেখেছেন লস ব্ল্যাংকোসদের হয়ে খেলবেন তিনি। যখন সুযোগটা পেলেন তখন দুর্দান্তভাবেই স্বপ্ন পূরণটা রাঙালেন।
শিরোপার হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেরা দলের হয়ে অভিষেকে গোল পেয়েছেন। সঙ্গে গোলের পুরস্কার হিসেবে যেন রিয়ালের হয়ে অধ্যায়টা শুরু করলেন চ্যাম্পিয়ন ট্রফি দিয়ে। অন্য গোলটি ফেদে ভালভার্দের।

 

এমবাপ্পের এমন অভিষেকের রাতে উয়েফা সুপার কাপের সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়েছে রিয়াল।

গতকালের আগে সমান পাঁচবার করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড ছিল যৌথভাবে রিয়াল, বার্সেলোনা এবং এসি মিলানের। আতালান্তাকে হারিয়ে গতকাল দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকে পেছনে ফেলে এখন সর্বোচ্চ ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল।

 

দলের রেকর্ডের রাতে খেলোয়াড় ও কোচও রেকর্ড গড়েছেন। খেলোয়াড়দের মধ্যে যৌথভাবে সর্বোচ্চ চ্যাম্পিয়ন এখন দানি কারভাহাল ও লুকা মদরিচ। সমান পাঁচটি করে সুপার কাপের ট্রফি তাদের নামের পাশে।

পেছনে ফেলেছেন দানি আলভেস, করিম বেনজেমা, টনি ক্রুস ও মালদিনিকে (চারটি শিরোপা)। ১৯৯৭ সালের পর দুই লেগ পরিবর্তিত হওয়ার পর সর্বোচ্চ ছয়বার ফাইনালে খেলা ফুটবলারও এই দুজন। 

 

তবে একটা কীর্তিতে সতীর্থ কারভাহালকে পেছনে ফেলেছেন রিয়ালের অধিনায়ক মদরিচ। রিয়ালের হয়ে এখন সর্বোচ্চ শিরোপার মালিক তিনি। ২৭ শিরোপা নিয়ে চূড়া এখন ক্রোয়েশিয়ার মিডফিল্ডার। ২৬টি করে শিরোপা কারভাহাল ও সদ্যঃবিদায়ি অধিনায়ক নাচোর। সব মিলিয়ে এক ক্লাবের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

৩৫ শিরোপ নিয়ে সবার ওপরে যৌথভাবে বার্সেলোনার সাবেক প্লেমেকার লিওনেল মেসি ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কিংবদন্তি রায়ান গিগসের। পুরো ক্যারিয়ার মিলে ৪৫ শিরোপা নিয়ে সবার ওপরে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক মেসি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্রাজিলের ডিফেন্ডার আলভেসের ৪৩টি।

রিয়ালের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার নেপথ্যের কারিগর কার্লো আনচেলত্তিও রেকর্ড গড়েছেন। আগে থেকেই ইউরোপিয়ান কাপ অথবা চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ (পাঁচবার) চ্যাম্পিয়ন হওয়া কোচ এবার উয়েফা সুপার কাপের রেকর্ডও নিজের করে নিয়েছেন। পাঁচ শিরোপা নিয়ে ইতালিয়ান কোচ এখন চূড়ায় অবস্থান করছেন। পেছনে ফেলেছেন চারবারের চ্যাম্পিয়ন কোচ পেপ গার্দিওলাকে। 

আরেক জায়গাতেও স্প্যানিশ কোচ গার্দিওলাকে পেছনে ফেলেছেন ‘ডন’ আনচেলত্তি। খেলোয়াড় এবং কোচ হিসেবে তার নামের পাশে ছয় ট্রফি। এসি মিলানের হয়ে খেলোয়াড় হিসেবে একবার চ্যাম্পিয়ন হন ৬৫ বছর বয়সী কোচ। এরপর কোচ হিসেবে এসি মিলানের হয়ে দুইবার। আর বাকি তিনবার রিয়ালের হয়ে। অন্যদিকে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন গার্দিওলা। বার্সেলোনার হয়ে খেলোয়াড় হিসেবে একবার। পরে কাতালানদের কোচ হিসেবে দুইবার। আর বাকি দুটি শিরোপা জেতেন বায়ার্ন মিউনিখ ও ম্যানচেস্টার সিটির কোচ হিসেবে।