NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রীকে আংশিক বয়কটের পথে ইইউ


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ জুলাই, ২০২৪, ০৭:১৮ পিএম

হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রীকে আংশিক বয়কটের পথে ইইউ

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এখন হাঙ্গেরি। কিন্তু ছয় মাসের এই প্রেসিডেন্সিকে আংশিক বয়কট করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। আবর্তনভিত্তিতে এই প্রেসিডেন্সি পদ পাওয়া যায়। সম্প্রতি ছয় মাসের জন্য় পদটি পেয়েছে হাঙ্গেরি।

 

পদ পাওয়ার পরই লম্বা সফর করেন হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান। তিনি প্রথমে কিয়েভে যান। সেখান থেকে মস্কোয় গিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দেখা করেন। সেখান থেকে চীনে গিয়ে শি চিনপিংয়ের সঙ্গে দেখা করে ওয়াশিংটনে ন্য়াটোর সভায় যোগ দেন।

অরবান তার এই সফরের নাম দিয়েছেন শান্তি সফর বা পিস মিশন।

 

ইউরোপীয় কাউন্সিলের অভিযোগ, কাউন্সিলের সঙ্গে আলোচনা না করেই এই সফরসূচি তৈরি করেছিলেন অরবান এবং কাউন্সিল এই সফর সমর্থন করে না। বিশেষ করে যেভাবে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অরবান, ইউরোপীয় কাউন্সিল তা কোনোভাবেই সমর্থন করে না। সে কারণেই ব্রাসেলস সিদ্ধান্ত নিয়েছে, অরবানের এই ছয় মাসের প্রেসিডেন্সি আংশিকভাবে বয়কট করা হবে।

 

এ ছাড়াও স্থির হয়েছে, হাঙ্গেরি যে কয়টি বৈঠকে সভাপতিত্ব করবে, সেখানে কোনো কমিশনার পাঠানো হবে না, প্রতিনিধি হিসেবে সরকারি আমলাদের পাঠানো হবে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডেয়ার লায়েন নিজে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে। তিনি ও তার সহকর্মীরা হাঙ্গেরির সভাপতিত্বে একটিও বৈঠকে থাকবেন না। শুধু আমলারা থাকবেন।

সাধারণত, যে দেশ প্রেসিডেন্সি পায়, কমিশনের ২৭ জন কমিশনার সেই দেশের রাজধানীতে গিয়ে একটি বৈঠক করেন এবং পরবর্তী কয়েক মাসের রোডম্য়াপ স্থির করা হয়।

কিন্তু হাঙ্গেরির ক্ষেত্রে সেই সফরও হবে না বলে মনে করা হচ্ছে।

 

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে ন্য়াটোর বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও বৈঠক করেন অরবান। ইউরোপীয় ইউনিয়নে হাঙ্গেরি একমাত্র দেশ, যার সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক ভালো। যেকোনো সময় পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন অরবান। শুধু তা-ই নয়, ইউক্রেন যুদ্ধেও রাশিয়াকে অঘোষিত সাহায্য করেছে হাঙ্গেরি। বস্তুত, দেশের ভতর অরবানের ক্ষমতা নিয়েও বিস্তর প্রশ্ন আছে। যেভাবে তিনি ক্ষমতা দখল করেছেন, তা অনেকেই সমর্থন করেন না।