NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ১১, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

পুতিন আর কিম যে কারণে বন্ধু হতে আগ্রহী


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ জুন, ২০২৪, ০৩:৩১ পিএম

পুতিন আর কিম যে কারণে বন্ধু হতে আগ্রহী

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই সপ্তাহেই উত্তর কোরিয়া সফর করতে পারেন বলে তুমুল জল্পনা ছিল। অবশেষে সোমবার ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, পুতিন মঙ্গলবারেই উত্তর কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইওন সুক ইওলের কাজাখস্তানে রাষ্ট্রীয় সফর ঘিরে গত বুধবার প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ে এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। সেখানেই কথাপ্রসঙ্গে প্রেসিডেন্ট পুতিনের উত্তর কোরিয়া সফরের বিষয়টি জানান তিনি।

 

 

যদি পুতিন উত্তর কোরিয়া সফর করেন তাহলে সেটা হবে দীর্ঘ ২৪ বছর পর তার প্রথম সফর। সবশেষ ২০০০ সালে  উত্তর কোরিয়া গিয়েছিলেন তিনি। তখন কিম জং উনের বাবা কিম জং ইল ক্ষমতায় ছিলেন। উত্তর কোরিয়া সফরের জন্য কিমের আমন্ত্রণটি গত বছরের সেপ্টেম্বরে গ্রহণ করেন পুতিন।

ওই সময় দুই নেতা রাশিয়ার পূর্ব সীমান্তে ভস্তোচনি কসমোড্রোমে বৈঠক করেছিলেন।

 

রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার দুই নেতার গত বছরের ওই বৈঠকটা দেখা হয় দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপনের প্রক্রিয়া হিসেবে। আর এবারের সফরকে বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই দেশের বন্ধন আরো দৃঢ় হয়েছে সেটা বোঝানোর উপলক্ষ।

মনে করা হচ্ছে, এই সফরে প্রধান আগ্রহ থাকবে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে কিভাবে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো যায় সেই দিকে।

 

একই সঙ্গে অন্যান্য ক্ষেত্র যেমন অর্থনীতি, সংস্কৃতি, কৃষি, পর্যটন ও সামাজিক নানা বিষয়েও পারস্পরিক আদানপ্রদান বাড়ানো যায় সেদিকেও নজর থাকবে।