NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ১১, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

ইউক্রেন শান্তি বিবৃতিতে ৮০ দেশ, যে ‘অজুহাতে’ নেই ভারত


খবর   প্রকাশিত:  ২১ জুলাই, ২০২৪, ০৬:৩৮ এএম

ইউক্রেন শান্তি বিবৃতিতে ৮০ দেশ, যে ‘অজুহাতে’ নেই ভারত

সুইজারল্যান্ডে ৫০টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানসহ ৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিরা ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠা নিয়ে আলোচনা করলেন। তারপর যৌথ বিবৃতিও জারি হলো। ৮০টির বেশি দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে সই করলেও ভারত, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো কিছু দেশ এর অংশ হয়নি।

ইউক্রেনে শান্তি আনার জন্য এ রকম সম্মেলন এই প্রথম।

সুইজারল্যান্ডে পাহাড়ের ঢালে বিলাসবহুল ও ঐতিহাসিক রিসোর্টে সব প্রতিনিধি ছিলেন। এতজন রাষ্ট্রনেতাকে এক জায়গায় আনা ও শান্তি আলোচনা করার পেছনে কতটা কূটনৈতিক প্রয়াস লাগে তা সহজেই অনুমান করা যায়। তবে রাশিয়াকে এই বৈঠকে ডাকা হয়নি এবং চীন এই বৈঠক বয়কট করে।

 

সুইজারল্যান্ড জানিয়েছে, তারা ভবিষ্যতে শান্তির দীর্ঘ রাস্তায় চলার জন্য একটা ভিত্তি প্রস্তুত করতে চেয়েছে।

অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেছেন, এটা একটা ঐতিহাসিক ঘটনা।

 

সব মহাদেশের প্রতিনিধিসহ এতজন রাষ্ট্রপ্রধানের যোগদান অবশ্যই একটা বড় ঘটনা। কয়েক মাস ধরে কূটনৈতিক চেষ্টার ফলেই তা সম্ভব হয়েছে।

দুই দিন ধরে এই বৈঠকে ইউক্রেনে শান্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট মস্কোর নিন্দা করার পরও বলেছেন, যুদ্ধে জড়িত সব পক্ষকে নিজেদের মনোভাব নরম করতে হবে। সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, সমঝোতার পথ বেশ কঠিন।

 

আলোচনার পর বিবৃতি
আলোচনার পর বিবৃতি দেওয়া হয়। যৌথ বিবৃতিতে সই করে ৮০টিরও বেশি দেশ। যুক্তরাষ্ট্র, ইইউর সব দেশ, ঘানা, কেনিয়া, আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া, ফিলিপাইন, কাতার, গুয়াতেমালার মতো দেশগুলো তাতে সই করেছে।

ভারত কেন সই করল না?
এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বা অন্য কোনো মন্ত্রী বৈঠকে যোগ দেননি। ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (ওয়েস্ট) পবন কাপুর।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই শীর্ষ বৈঠকে ভারত কোনো বিবৃতি বা অন্য কোনো নথিতে সই করেনি। ভারত এই বিরোধের দীর্ঘকালীন ও শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়। তাই তারা এই শীর্ষ বৈঠকে যোগ দিয়েছে। এর আগে এনএসএ পর্যায়ের বৈঠকেও যোগ দিয়েছিল। কিন্তু এই বিরোধের মীমাংসার জন্য দুই পক্ষের মধ্যে বাস্তবসম্মত ও আন্তরিক আলোচনা প্রয়োজন। ভারত চায়, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ মিলে চেষ্টা করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই সমস্যার সমাধান হোক।

ভারত আগেই জানিয়েছে, কূটনৈতিক পথে ও আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে।