NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুলাই ৮, ২০২৬ | ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি ‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী? জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দলের নয়, শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

শিশু অধিকার সুরক্ষায় একযোগে কাজ করার আহ্বান স্পিকারের


খবর   প্রকাশিত:  ২৭ নভেম্বর, ২০২৪, ১০:১৩ এএম

>
শিশু অধিকার সুরক্ষায় একযোগে কাজ করার আহ্বান স্পিকারের

শিশু অধিকার সুরক্ষায় সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেন, শিশুরা আজকের এবং ভবিষ্যতের লিডার। শিশুদের সার্বিক সুরক্ষায় সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

রোববার (২৫ জুলাই) ঢাকার হোটেল রেডিসন ব্লুতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্পিকার। এসময় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে স্পিকারের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের জনগণকে সামগ্রিকভাবে বিশেষ করে শিশুদের এবং দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থেকে কাজ করায় ধন্যবাদ জানান স্পিকার।
এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের সাউথ এশিয়া প্যাসিফিক অফিসের রিজিওনাল লিডার চেরিয়্যান থমাস এবং ইউএস অ্যাম্বাসি অব বাংলাদেশের ডেপুটি চিফ অব মিশন হেলেন লাফেভ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ন্যাশনাল ডিরেক্টর সুরেশ বার্টলেট।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের সংবিধানে শিশুদের সুরক্ষার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করেছেন। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে শিশু আইন প্রণয়নের মাধ্যমে শিশুর কল্যাণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করেছেন। এসময় স্পিকার বলেন, এসডিজি অর্জনে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি বিশেষ করে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যকর পদক্ষেপের ফলে দারিদ্র্যের হার ৪০ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশে নেমে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী শিশুদের শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। এজন্য দরিদ্র পরিবারের মায়েদের মোবাইলে মেয়েদের শিক্ষা বৃত্তি প্রেরণ, বিনামূল্যে বই বিতরণ ও আইসিটি ল্যাব স্থাপন করা হচ্ছে। স্পিকার ওয়ার্ল্ড ভিশনকে বাংলাদেশের দরিদ্র জনগণের পাশে থেকে দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সিনিয়র ডিরেক্টর (অপারেশন্স অ্যান্ড প্রোগ্রাম কোয়ালিটি) চন্দন জেড গোমেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, বিভিন্ন দূতাবাস ও দাতা সংস্থার প্রতিনিধি, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওর কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং ওয়ার্ল্ড ভিশনের কর্ম এলাকার শিশু ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।