NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ১১, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

পারমাণবিক বোমার ব্যবহার নিয়ে যা বললেন পুতিন


খবর   প্রকাশিত:  ০৯ জুন, ২০২৪, ০৭:৫০ পিএম

পারমাণবিক বোমার ব্যবহার নিয়ে যা বললেন পুতিন

রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরই আলোচনায় আসে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে। পুতিন এই যুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবেন কি না তা নিয়ে তৈরি হয় ধোঁয়াশা। এবার সে বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য দিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

শুক্রবার (৭ জুন) পুতিন বলেন, ইউক্রেনে জয়ের জন্য রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করার দরকার নেই।

 

পুতিনের এমন বার্তার পর বোঝা যাচ্ছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে চলা বড় যুদ্ধটি পারমাণবিক যুদ্ধে রূপ নেবে না।

 

তবে এর আগে বেশ কয়েকবার নিজেদের প্রতিরক্ষার জন্য পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন পুতিন।

সেন্ট পিটার্সবার্গের ইকোনমিক ফোরামে রাশিয়ার এক প্রভাবশালী বিশ্লেষক প্রশ্ন করেন ইউক্রেন ইস্যুতে পারমাণবিক পিস্তল ধরা হবে কি না। জবাবে পুতিন বলেন, এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের কোনো পরিস্থিতি দেখছি না।

রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার হতে পারে বিশেষ ক্ষেত্রে। যেমন সার্বভৌমত্ব ও দেশের অখণ্ডতার ওপর হুমকি তৈরি হলে। কিন্তু আমি মনে করি না এ ধরনের সময় এসেছে। পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই।

 

মস্কো ক্রিমিয়া ছাড়াও ইউক্রেনের কাছ থেকে সম্প্রতি দখলে নেওয়া চারটি অঞ্চলকে এখন নিজেদের বলে মনে করে। ফলে কিয়েভ যদি এসব অঞ্চল পুনরায় ফেরত নেওয়ার চেষ্টা করে তাহলে পারমাণবিক হামলার ঝুঁকি তৈরি হবে।

 

সম্প্রতি রাশিয়ান টার্গেটে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা জোরদার করেছে ইউক্রেন। তাদের লক্ষ্য হলো রাশিয়ার কাছ থেকে অঞ্চলগুলো ফিরিয়ে আনা।