NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ১১, ২০২৬ | ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে গ্রেনেড হামলা


খবর   প্রকাশিত:  ০২ এপ্রিল, ২০২৪, ১০:১৪ পিএম

লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে গ্রেনেড হামলা

লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবদুল হামিদ আল-দাবিবাহের বাসভবনে রকেটচালিত গ্রেনেড হামলা করা হয়েছে। তবে হামলায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। লিবিয়ার একজন মন্ত্রী রয়টার্সকে এই তথ্য জানিয়েছেন। ওই মন্ত্রী নিজের নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি বার্তায় নিশ্চিত করেছেন, ‘হামলায় সামান্য ক্ষতি হয়েছে।

’ তবে বিস্তারিত আর কিছু বলেননি।

 

দেশটির দুই নাগরিক বলেছেন, তারা ত্রিপোলির বিলাসবহুল হে আন্দালুসপাড়ায় সাগরের কাছে প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। সেখানেই প্রধানমন্ত্রী দবেইবার বাসভবন। তাদের মধ্যে একজন বলেছেন, প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ শোনার পর এলাকাটির চারপাশে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

 

২০১১ সালের ন্যাটো সমর্থিত বিদ্রোহের পর লিবিয়ায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়। ২০১৪ সালে দেশটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। তখন থেকে লিবিয়ার পূর্ব ও পশ্চিম অংশ শাসন করছে দুটি পৃথক প্রশাসন। ২০২১ সালে জাতিসংঘ সমর্থিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দিবেইবাহের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠিত হয়।

কিন্তু জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর লিবিয়ার পূর্ব অংশ তার বৈধতাকে স্বীকৃতি দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এর ফলে দেশটিতে দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক অচলাবস্থা দেখা দেয়।

 

গত মার্চের শুরুর দিকে লিবিয়ার তিনজন প্রধান নেতা বলেছিলেন, তারা একটি নতুন ঐক্যবদ্ধ সরকার গঠনের ‘প্রয়োজনীয়তার’ বিষয়ে সম্মত হয়েছেন, যা বিলম্বিত নির্বাচনের তত্ত্বাবধান করবে।