NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, জুলাই ১২, ২০২৬ | ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি মনিটর করছেন : মাহদী আমিন ট্রাম্পের উপহারের বিমান নিয়ে সংবাদ প্রকাশ, সাংবাদিকদের তলব তিব্বতে চীনের নীতির বিরুদ্ধে জাতিসংঘে বিক্ষোভ, আটক ৩ বেলিংহামের ঝলকে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড, বিদায় নরওয়ের ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স
Logo
logo

দ্রুত বিচার আইন স্থায়ী করতে সংসদে বিল


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ মার্চ, ২০২৪, ০৯:৪৯ এএম

দ্রুত বিচার আইন স্থায়ী করতে সংসদে বিল

দ্রুত বিচার আইন স্থায়ী করতে জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ‘আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার-সংশোধন) বিল-২০২৪’ পাসের সুপারিশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কমিটির সুপারিশ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জাতীয় সংসদে জমা দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (৩ মার্চ) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বিলের প্রতিবেদন জমা দেন সভাপতির অনুপস্থিতিতে সংসদীয় কমিটির সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল। 

এর আগে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি সংসদে বিলটি উত্থাপন করা হয়।

পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

 

প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে প্রথম এই আইনটি করা হয়েছিল দুই বছরের জন্য। এরপর সাত দফা এই আইনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ২০১৯ সালে আইনটি সংশোধন করে মেয়াদ বাড়ানো হয়।

আগামী ৯ এপ্রিল এ আইনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এর মধ্যে আইনটির মেয়াদ না বাড়িয়ে, তা স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। গত ২৯ জানুয়ারি মন্ত্রিসভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত বিলটি সংসদে তোলা হয়েছে।
বিলে আইনটি স্থায়ী করা ছাড়া অন্য কোনো সংশোধনী প্রস্তাব আনা হয়নি। অর্থাৎ আইনটির বিদ্যমান ধারা এখনকার মতোই থাকবে।

 

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকা পালনের উদ্দেশ্যে চাঁদাবাজি, যানবাহন চলাকালে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, যানবাহনের ক্ষতিসাধন, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট করা, ছিনতাই, দস্যুতা, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, দরপত্র ক্রয়, বিক্রয়, গ্রহণ বা দাখিলে জোরপূর্বক বাধা প্রদান, যা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি, ভয়-ভীতি প্রদর্শন ইত্যাদি গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অধিকতর উন্নতির লক্ষ্যে ‘আইন- শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন-২০০২’ প্রণয়ন ও জারি করা হয়েছিল। আইনটি প্রণয়নের সময় এর মেয়াদ ছিল দুই বছর। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তার নিরিখে ক্রমান্বয়ে সাতবার এর মেয়াদ বাড়িয়ে সর্বশেষ ২০১৯ সালের ১০ এপ্রিল ১৭ বছর থেকে ২২ বছর বাড়ানো হয়, যার মেয়াদ আগামী ৯ এপ্রিল শেষ হবে।

দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অধিকতর উন্নতির জন্য এ আইনটি মেয়াদ শেষে বারবার সময় বাড়িয়ে স্থায়ীভাবে আইনে পরিণত করা প্রয়োজন।