NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ | ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ পরিদর্শনে এনডিসির এএফডব্লিউসি প্রতিনিধিদল সুইজারল্যান্ডে যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজনের প্রাণহানি মোদি-পুতিন মেগাবৈঠক আজ, বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি চুক্তিতে বিশেষ নজর ৯/১১ হামলার ২৫ বছর পরেও শেষ হয়নি গোয়েন্দা ব্যর্থতার বিতর্ক বার্সেলোনার ‘রত্নকে’ নিতে চায় চেলসি নিষেধ উপেক্ষা করে যে কাজের জন্য অস্কার জেতেন এ আর রহমান ৯/১১-এর ২৫ বছর: নিউইয়র্কে স্মরণ, শোক আর অঙ্গীকার পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ প্রথম ভাঁজ করা আইফোন উন্মোচনে অ্যাপলকে স্যামসাংয়ের খোঁচা
Logo
logo

এই বিজয় জনগণের বিজয় : শেখ হাসিনা


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৯:১৩ এএম

এই বিজয় জনগণের বিজয় : শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছে। এই বিজয় জনগণের বিজয়।

আজ (সোমবার) বিকেলে গণভবনে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময়ের সময় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

 
 

 

শেখ হাসিনা বলেন, আটবার নির্বাচন করেছি।‌ এবার জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে। বাংলাদেশের ৮০ ভাগ মানুষ দরিদ্র ছিল। বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল দেশের মানুষ যেন উন্নত জীবনের অধিকারী হতে পারে।

 
আমরা সরকারে এসে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করি।

 

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট আমার পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। আমার ছোট বোন শেখ রেহানা আর আমি বেঁচে যাই। ছয় বছর আমরা রিফিউজি ছিলাম।

 
খুব কষ্টকর জীবন ছিল। 

 

তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে যারা নারী ধর্ষণ করেছিল, লুটপাট করেছিল, অগ্নিসংযোগ করেছিল, স্বাধীনতার পরপর তাদের বিচার শুরু হয়েছিল। কিন্তু মিলিটারি ডিক্টেটর ক্ষমতায় এসে বিচারের হাত থেকে মুক্তি দিয়ে তাদের ক্ষমতায় বসায়। যখন আমার মা-বাবার খুনিরা এবং যুদ্ধাপরাধীরা ক্ষমতায়, ওই অবস্থায় আমি দেশে ফিরে আসি। আমার আসার একটাই লক্ষ্য ছিল- বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা; মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা; গণতন্ত্রের মধ্য দিয়ে আর্থসমাজিক উন্নতি করা।

 
 

 

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আমার চলার পথটা এত সহজ ছিল না, অনেকবার আমাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। আমি মুখোমুখি মৃত্যুকে দেখি, কখনও গুলি, কখনও বোমা হামলা, কখনও গাড়িতে হামলা। আমি যখন শান্তি র‌্যালি করছিলাম তখন গ্রেনেড হামলা করা হয়। আমার দলের নেতাকর্মীরা আমাকে রক্ষা করে মানবঢাল রচনা করে। অনেকে জীবন দেয়। জনগণের কথা বলতে গিয়ে অনেকবার গ্রেপ্তার হয়েছি, বন্দি হয়েছি। তারপরও আমি দমে যাইনি। 

নোবেলজয়ী ড. ইউনূসের সাজা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ড. ইউনূস শ্রম আইন লঙ্ঘন করায় দণ্ডিত হয়েছেন। নিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এখানে সরকারের কিছু করার নেই।

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘একটি দল নির্বাচন বর্জন করেছে। মিলিটারি ডিক্টেটর থেকে যে দল সৃষ্টি তারা নির্বাচন ভয় পায়, কারণ তাদের জনসমর্থন থাকে না।’

বিদেশি বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের বাংলাদেশে আসার জন্য তিনি নিজের, পরিবার ও দেশের মানুষের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান। বলেন, ‘আপনারা নিজ নিজ দেশে ফিরে যাবেন, আমাদের দেশের কথা বলবেন। আমাদের দেশটা অনেক সুন্দর।’