NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ | ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর রহমান গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম : রাষ্ট্রপতি ইসরায়েলি বসতিতে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র? কানাডার মদসহ বিভিন্ন পণ্যে ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ট্যাংকার যুদ্ধ: হরমুজ প্রণালি ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা ইউরোপের বাকি দেশগুলোতেও ক্ষমতায় যাচ্ছে কট্টর ডানপন্থীরা? ইতালিতে বাঁধনকে ‘হেনস্তা’, কী বলছেন অভিনেত্রী বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের
Logo
logo

বিশ্বনেতারা শেখ হাসিনার পাশে আছেন : তথ্যমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৯:৪৫ পিএম

বিশ্বনেতারা শেখ হাসিনার পাশে আছেন : তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, নির্বাচনের দুই মাস আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে আমন্ত্রণই প্রমাণ করে, বিশ্বনেতারা তাঁর সঙ্গে আছেন। 

বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে স্থানীয় সময় বুধবার বিকেলে গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামের সম্মেলনের বিরতির সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আজকে যে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার নেতারা প্রতিটি বৈঠক ও সভায় সেটির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

 
গ্লোবাল গেটওয়ে সম্মেলনের প্লেনারি সেশনের ‘ফোকাস’ বা মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন শেখ হাসিনা। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও বারবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছেই ছুটে গেছে।

 

হাছান মাহমুদ বলেন, শুধু তাই নয়, প্লেনারি সেশনে যতগুলো বক্তৃতা সেখানে হয়েছে সবচেয়ে হৃদয়স্পর্শী এবং বিষয়ধর্মী বক্তৃতাটি ছিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে, যখন মাত্র দুই মাস সময়ের ব্যবধানে বাংলাদেশে নির্বাচন হবে, এই সময়ে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো অত্যন্ত গুরুত্ববহ এবং বিশ্বনেতৃবৃন্দ যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আছেন সেই সাক্ষ্যই বহন করে।

 

 

বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে ইউরোপীয় কমিশন আয়োজিত ২৫-২৬ অক্টোবরের গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং সারা বিশ্ব থেকে রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান এবং বেসরকারি খাত, সুশীল সমাজ, অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা ও নেতৃস্থানীয় চিন্তাবিদরা অংশ নিচ্ছেন।