NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

ইইউতে অবৈধ সফর, ক্ষমতা হারানোর পথে জর্জিয়ান প্রেসিডেন্ট


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০১:৩৯ পিএম

ইইউতে অবৈধ সফর, ক্ষমতা হারানোর পথে জর্জিয়ান প্রেসিডেন্ট

জর্জিয়ার সাংবিধানিক আদালত সোমবার দেশটির প্রেসিডেন্ট সালোমে জৌরাবিচভিলির বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরুর পক্ষে রায় দিয়েছেন। সরকারি অনুমোদন ছাড়াই তিনি সম্প্রতি বিদেশ সফর করেছেন বলে অভিযোগ ছিল।

জর্জিয়ান টেলিভিশন চ্যানেল ১টিভি অনুসারে, সাংবিধানিক আদালতের প্রধান মেরাব তুরাভা রায়ে বলেছেন, ‘সাংবিধানিক আদালত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন, প্রেসিডেন্ট সালোমে জৌরাবিচভিলি জর্জিয়ান সরকারের সম্মতি ছাড়াই চলতি বছরের ৩১ আগস্ট, ১ সেপ্টেম্বর এবং ৬ সেপ্টেম্বরে বিদেশ সফরের সময় বৈদেশিক সম্পর্কে প্রতিনিধিত্বমূলক কর্তৃত্ব প্রয়োগ করে সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন।’

তুরাভা আরো বলেছেন, এই রায়টি চূড়ান্ত এবং আপিল বা সংশোধনের যোগ্য নয়।

 
জর্জিয়ান সাংবিধানিক আদালত রায়টি প্রকাশের মুহূর্ত থেকেই কার্যকর হবে।

 

৯টি আদালতের সদস্যদের মধ্যে ছয়জনের সমর্থিত এই রায়টি জর্জিয়ান সংসদ, প্রেসিডেন্ট, সরকার ও সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো হবে।

গত মাসে ক্ষমতাসীন জর্জিয়ান ড্রিম পার্টির প্রধান ইরাকলি কোবাখিদজে বার্লিন, ব্রাসেলস ও প্যারিসে জৌরাবিচভিলির সফরের কথা উল্লেখ করে তাঁর বিরুদ্ধে অভিশংসন কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দেন।

জর্জিয়ান সরকার এর আগে আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে জৌরাবিচভিলির পরিকল্পিত সফর অস্বীকার করেছিল।

 

 

জৌরাবিচভিলি বলেছেন, তাঁর সফরের লক্ষ্য ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রার্থী হিসেবে দেশের অবস্থানকে শক্তিশালী করা।