NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

বড় হারেই শেষ হলো বাংলাদেশের ইংলিশ-পরীক্ষা


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৪, ১১:০৫ এএম

বড় হারেই শেষ হলো বাংলাদেশের ইংলিশ-পরীক্ষা

এই ভয়টাই ছিল ইংল্যান্ডের ইনিংস শেষে। এমনিতে ব্যাটিংয়ে ভালো অবস্থায় নেই বাংলাদেশ। গত কয়েকটি ম্যাচে ৫০ ওভার ঠিকঠাক খেলতেও খাবি খেয়েছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। তার ওপর ইংল্যান্ডের ৩৬৫ রানের লক্ষ্য।

 
লড়াইও জমাতে পারেনি বাংলাদেশ। শুরুতে বিপর্যয়, মাঝে সেটা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা, এরপর আবার ভেঙে পড়া-এই হচ্ছে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের সারমর্ম।

 

শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ হেরেছে ১৩৭ রানে। বড় লক্ষ্য তাড়া করতে যেমন শুরু দরকার ছিল, তার ধারেকাছেও যেতে পারেনি বাংলাদেশ।

 
উল্টো আসা-যাওয়ার মিছিলে ছিলেন ব্যাটসম্যানরা। ৮.৩ ওভারের মধ্যে ৪ উইকেট হাওয়া। একে একে ফিরে যান তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান ও মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম তিনজনেই রিস টপলির শিকার।
 
পরে তিনি উইকেট নিয়েছেন আরও একটি। নিউজিল্যান্ড ম্যাচের একাদশ থেকে মঈন আলিকে বসিয়ে এই ম্যাচে টপলিকে সুযোগ দেওয়া হয়। কেন তাঁকে জায়গা দেওয়া হয়েছে, সেটা কী দারুণভাবেই না প্রমাণ করেছেন টপলি।

 

টপলির ঝড় শেষে মাঝে বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম। কিন্তু সেটা ওই সামাল দেওয়া পর্যন্তই ছিল।

 
দুজনের ৭০ রানের জুটি ভেঙেছে লিটনের বিদায়ে। ৭৬ রান করেছেন তিনি। ৬৬ বলের ইনিংসে সাত চার ও দুই ছক্কার মার রয়েছে। বাংলাদেশের ইনিংসে এটাই সর্বোচ্চ স্কোর। লিটন-মুশফিকের পর জুটি অবশ্য আরও একটি হয়েছে। তবে মুশফিক-তাওহিদ হৃদয়ের সেই জুটি যতটা না ম্যাচ জয়ের জন্য ছিল, তার চেয়ে বেশি হারের ব্যবধান কমানোর জন্যেই মনে হয়েছে। দুজনের জুটি থেকে এসেছে ৪৩ রান।

 

ফিফটির পর টপলিকে আপার কাট করতে গিয়ে আদিল রশিদের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন মুশফিক। ৬৪ বলে ৫১ রান করেছেন তিনি। এই জুটি ভাঙার বাংলাদেশের ইনিংস আর এগোয়নি। বলার মতো স্কোর বলতে হৃদয়ের ৩৯ রানই। বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয়েছে ২২৭ রানে। শেষ ১০ ওভারে বোলারদের ঘুরে দাঁড়ানোও জাগাতে পারেনি বাংলাদেশ ব্যাটারদের। ইংল্যান্ডের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে একটা সময় ৪০০ রানের স্কোর যথেষ্ট সম্ভব মনে হচ্ছিল। সেটা হতে দেননি শরীফুল ইসলাম-শেখ মেহেদী হাসানরা। শেষ ১০ ওভারে তাঁরা দিয়েছেন মাত্র ৬৬ রান। তাতে ইংল্যান্ডের ইনিংস থামে ৩৬৪ রানে। ইংলিশদের পাহাড়সম স্কোরের বড় অবদান ডেভিড মালানের ১৪০, জো রুটের ৮২ ও জনি বেয়ারস্টোর ৫২ রানের তিনটি ইনিংস। যে অপূর্ণতা ছিল বাংলাদেশের ইনিংসে। বাংলাদেশের ইংলিশ-পরীক্ষা তাই শেষ হলো বড় হারে।