NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

আটলান্টাকাণ্ডের পর থেকে ৭১ লাখ ডলার সংগ্রহ করেছেন ট্রাম্প


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৬:০১ এএম

আটলান্টাকাণ্ডের পর থেকে ৭১ লাখ ডলার সংগ্রহ করেছেন ট্রাম্প

গত তিন সপ্তাহে প্রায় ২০ মিলিয়ন বা ২ কোটি মার্কিন ডলার সংগ্রহ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরমধ্যে নির্বাচনী জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার আটলান্টা জেলে আটক হওয়ার পর থেকে ৭১ লাখ ডলার সংগ্রহ করেছেন তিনি।

সেদিন অবশ্য আটক হওয়ার ২০ মিনিটের মাথায় জামিনে মুক্ত হন সাবেক এই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট। রোববার (২৭ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত তিন সপ্তাহে প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছেন বলে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার মুখপাত্র শনিবার জানিয়েছেন। সাবেক এই প্রেসিডেন্টের নির্বাচনী প্রচারণার মুখপাত্রের নাম স্টিভেন চেউং।

আগে টুইটার নামে পরিচিত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় শনিবার তিনি বলেছেন, গত বৃহস্পতিবার জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টায় নির্বাচনী জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্রের মামলায় জেলে আটক হওয়ার পর থেকে ৭১ লাখ মার্কিন ডলার তুলেছেন ট্রাম্প।

অবশ্য জর্জিয়ায় নির্বাচনী জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক গ্রেপ্তারের পর এই ঘটনাকে ‘বিচার ব্যবস্থার জন্য উপহাস’ বলে সমালোচনা করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা এই মামলাকে তিনি ‘নির্বাচনে হস্তক্ষেপ’ বলেও অভিহিত করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে জর্জিয়ার ফুলটন কারাগারে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। অবশ্য এর ২০ মিনিটের মাথায় জামিনে মুক্ত হন তিনি। ২ লাখ মার্কিন ডলারের বন্ডে তাকে জামিন দেওয়া হয়।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন সেদিন জানায়, গ্রেপ্তারের পর সাবেক এই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টকে বেশিক্ষণ কারাবন্দি থাকতে হয়নি। তিনি কারাগার ছিলেন ২০ মিনিটের মতো। সেসময় তার আঙুলের ছাপ ও মুখের ছবি (মাগ শট) নেওয়া হয় এবং পরে তা প্রকাশ করা হয়।

জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর ট্রাম্প তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগও অস্বীকার করেছিলেন। জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের রাজধানী আটলান্টা ত্যাগের আগে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘এখানে যা ঘটেছে তা ন্যায়বিচারের সঙ্গে প্রতারণা। আমরা কোনও কিছু ভুল করিনি। আমি কোনও ভুল করিনি।’

একইসঙ্গে সেসময় নির্বাচনী তহবিলে অর্থ দিতেও সমর্থকদের কাছে আহ্বান জানিয়েছিলেন ট্রাম্প।

আর এরপরই আটলান্টা জেলে আটক ও সেখান থেকে মুক্ত হওয়ার পর থেকে ট্রাম্পের ৭১ লাখ ডলার সংগ্রহ করার খবর সামনে এলো। ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার মুখপাত্র স্টিভেন চেউং আরও বলেছেন, শুধুমাত্র শুক্রবারই ট্রাম্প ৪ দশমিক ১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার তুলেছেন। আর এটিই এখন পর্যন্ত ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচরাণায় সর্বোচ্চ তহবিল আয়কারী দিন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু ২০২০ সালের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে পরাজিত হন তিনি। উত্তর আমেরিকার এই দেশটির পরবর্তী নির্বাচন ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে এবং সেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আবারও রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়ন চাইছেন ট্রাম্প।

ট্রাম্প অবশ্য ইতোমধ্যেই সেই নির্বাচনে লড়াইয়ের ঘোষণাও দিয়ে রেখেছেন। এছাড়া প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়নের দৌড়ে থাকা রিপাবলিকান পার্টির অন্য নেতাদের চেয়ে জনমত জরিপে ট্রাম্প এগিয়েও রয়েছেন।

এই পরিস্থিতিতে তার বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

উল্লেখ্য, চলতি আগস্ট মাসের মাঝামাঝিতে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ২০২০ নির্বাচনের সময় জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে ফেলার চেষ্টার এক অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়।

তার বিরুদ্ধে আনা ১৩টি আনুষ্ঠানিক অভিযোগের মধ্যে রয়েছে- ভয়ভীতি দেখানোর বিরুদ্ধে জর্জিয়ার গুণ্ডামি-বিরোধী র‍্যাকেটিয়ারিং আইন লঙ্ঘন করা, সরকারি কর্মকর্তার শপথ লঙ্ঘন এবং জালিয়াতির ষড়যন্ত্র।

এছাড়া ওই একই নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিজয় নস্যাৎ করার প্রচেষ্টা অভিযোগে ট্রাম্প ইতোমধ্যেই ফেডারেল আইনেও অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন।