NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, জুলাই ১২, ২০২৬ | ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

নভেম্বরে বিমসটেকের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ০৪ নভেম্বর, ২০২৪, ০২:১০ এএম

নভেম্বরে বিমসটেকের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

আগামী ৩০ নভেম্বর থাইল্যান্ডে বসবে বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টোরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলন। ওই সম্মেলনে যোগ দেবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র-সচিব মাসুদ বিন মোমেন সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান।

ঢাকায় সফররত ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) সৌরভ কুমারের সঙ্গে বিমসটেক ইস্যুতে আলোচনা করেন পররাষ্ট্র-সচিব।

বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে সচিব জানান, বিমসটেক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এবার ভারত থেকে বিমসটেকের নতুন সেক্রেটারি জেনারেল মনোনীত হবেন। ফলে নতুন চেয়ার বাংলাদেশ এবং ভারতের নতুন সেক্রেটারি জেনারেল একইসঙ্গে যেন কাজ করতে পারেন, সে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

dhakapost

মাসুদ বিন মোমেন বলেন, বিমসটেককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ভারতের আগ্রহ রয়েছে এবং কীভাবে জোটের অগ্রগতি করা যায়, সেটি নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারত একসঙ্গে কাজ করবে। আগামী ১৭ জুলাই থাইল্যান্ডে বিমসটেকের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক হবে এবং সেখানে অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনার সুযোগ রয়েছে।

মাসুদ বিন মোমেন বলেন, বিমসটেকের সড়ক ও রেলের বাইরে  বিদ্যুতের গ্রিড কানেকটিভটি বাড়াতে চাই। এ লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। বিমসটেকে বাংলাদেশের চাওয়া বাণিজ্য বাড়ানো। আর ভারত চায় নিরাপত্তা বাড়াতে। এক্ষেত্রে বিমসটেকের দেশগুলোর মধ্যে মানি লন্ডারিং, ড্রাগ ট্রাফিকিং প্রতিরোধে সহযোগিতা বাড়াতে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।